শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, ‘এ কথা আমি ভোলায় বলেছিলাম, সেসময় ভোলার লোক আমার ওপরে এত বেশি ক্ষিপ্ত হয়েগেছিলো যে, আমাকের ভুয়া বলে মিছিল করে, স্লোগান দিয়ে, আমার গাড়ির সামনে লোকজন শুয়ে পড়েছিল। আমি যেটা বিশ্বাস করি, সেটা বলি। ব্রিজ বানাবে একটা ২২ হাজার কোটি না ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এই টাকা ইরিগেশনে ভালো ব্যবহার করা যাবে। আমার যদি পদ্মা ব্রিজ না বানিয়ে ওই টাকা দিয়ে যদি ইরিগেশনে ব্যয় করতাম, তাহলে চালের দাম পাঁচ টাকা কমে যেত। আজকে ২০ টাকা চালের দাম বেড়ে গেছে পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে। আমার অর্থনীতিতে কী লাভ হয়েছে?’
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ব্যয়ের উদ্বৃত্ত তৈরি করতে না পারি তাহলে এ ব্যয় অর্থনীতির জন্য বোঝা। তাই আপনারা যাই দাবি করবেন যে সরকারি আসুক না কেন। এ দাবির মূল উদ্দেশ্য হতে হবে ব্যয়ের উদ্বৃত্ত। যদি না হয় তাহলে আপনি নাগরিক হিসেবে ঠকে যাবেন। এই যে এতগুলো ল্যান্ডপোর্ট বানিয়েছে বাংলাদেশের অধিকাংশ ল্যান্ডপোর্টের কোনো ব্যবহার নেই। যদিও এটি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তবে এসব ল্যান্ডপোর্টে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। কিছু বন্ধ করা হয়েছে আর কিছু বন্ধ করা যাচ্ছে না। কারণ ৯০ ভাগের উপরে খরচ করে ফেলেছে।’
তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে জামালপুরে মির্জা আজম এক কোটি টাকায় টেক্সটাইল মিলের কাজ শুরু করেছিলো। শুধু ল্যান্ডফিলের কাজ করেছিলো এর মধ্যেই সেটি আমরা বন্ধ করেছি।’
আরও পড়ুন:
গণভোটের প্রচারণা নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘গণভোটের প্রচারণার জন্য অনেকগুলো ভোটের গাড়ি দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ভোটের নৌকা ও স্টিমার করা হয়েছে। তাই প্রচারণা হচ্ছে না এ কথাটি ঠিক নয়। গণভোটের প্রচারণায় প্রধান উপদেষ্টার টিমসহ সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় থেকে যতগুলো প্রচারণা করা হয়েছে গত চার দিনের হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১৯ কোটি ৮০ লাখ বার ভিডিওটি দেখেছে। তাই প্রচারণা হচ্ছে না, এ কথাটি পরিপূর্ণভাবে মানতে আমরা রাজি নই। সবাই যদি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয় তাহলে এ প্রচারণা আরও বাড়বে।’
এদিকে মতবিনিময় সভায় নেত্রকোণার পাঁচ আসনের প্রার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এর আগে ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোণায় আসার পথে পূর্বধলার হিরনপুর বাজারে গণভোটের প্রচারণায় লোক সংগীত ও পথসভায় অংশগ্রহণ করেন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন।





