তিনি বলেন, ‘রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যারা ব্যবসা করেন, সেফ এক্সিট নেন; তাদের ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে দেখতে চাই না।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সবাই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিল। কমিশন সেগুলোকে গ্রহণ করছিল। একাডেমিক পরিবেশে যখন আইনজীবীরা কথা বলছিল তখন আব্দুল আউয়াল মিন্টু মুসার দিকে তেড়ে যান। ব্লাডি সিভিলিয়ান, ব্লাডি সিটিজেন বলেন।’
তিনি বলেন, ‘তাবিথ আউয়াল তার বাবাকে কমিশন থেকে নিয়ে যান। সবাই আব্দুল আউয়াল মিন্টুর আচরণে আহত হয়েছে। আমরা কমিশনকে জানিয়েছি।’
আরও পড়ুন:
এনসিপির এ মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘যারা এলিটিসিজম দেখাতে আসে তারা যেন রাজনৈতিক এলিটিসিজম বাসায় রেখে তারপর জনগণের সামনে আসে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আপনি ব্লাডি সিটিজেন বলবেন আবার তাদের কাছেই ভোট চাইবেন সেটা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বয়ং ইসির সামনে যেভাবে মানুষকে প্রহার করা হয়েছে তা অগ্রহণযোগ্য। অন্য প্রার্থীদের নিরাপত্তা ইসি কীভাবে নিশ্চিত করবে? ইসি হাদির ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলার চেষ্টা করেছেন। আগে ঢাবিতে দেখতাম প্রক্টরের কাছে নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে গেলে লিখিত দিতে বলতো। এখন ইসির রেসপন্স সেরকম মনে হয়েছে।’




