চলতি বছর সরিষার ফুলে মৌমাছির আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় পরাগায়ন দ্রুত হচ্ছে। এতে সরিষার শুঁটি ও দানার গঠনও হচ্ছে ভালো; যা সরিষার ফলন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরিষা চাষিদের পাশাপাশি হাসি ফুটেছে মৌ-চাষিদের মুখেও। জাতভেদে সরিষা চাষে বিঘাপ্রতি খরচ ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। বিঘায় ৭ থেকে ৮ মণের বিপরীতে মনপ্রতি বাজারদর মেলে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। খরচ বাদে লাভ থাকে ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকা।
অল্প পুঁজিতে ভালো লাভে এই চাষে ঝুঁকছেন শেরপুরের কৃষকরা। তারা জানান, সরিষা চাষে উৎপাদন খরচ কম, পাশাপাশি বছরে ৩টি ফসল ঘরে তোলা যায়।
আরও পড়ুন:
এদিকে, সরিষার ক্ষেতের পতিত জমিতে মৌ বক্স স্থাপন করেছেন চাষিরা। যেখান থেকে প্রায় ৪৫ হাজার কেজি মধু আহরিত হবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। যার বাজার মূল্য প্রায় ১২০ কোটি টাকা। চাষিরা বলছেন, ১২০টি মৌ বক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে সাত থেকে দশ মণ মধু সংগ্রহ করা হয়।
কৃষকরা ন্যায্য দাম পেলে বাড়বে সরিষা চাষ, কমবে ভোজ্যতেলের আমদানিনির্ভরতা কমবে। কৃষি বিভাগ বলছে, সরিষার আবাদ বাড়াতে চাষিদের দেয়া হচ্ছে সব ধরনের পরামর্শ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কৃষকদের প্রযুক্তিগত সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। ফলে শেরপুরে দিন দিন বাড়ছে সরিষা আবাদ।’
উল্লেখ্য, চলতি বছর শেরপুরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১৬ হাজার কৃষককে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও সরিষা বীজ দেয়া হয়েছে।




