নরসিংহপুর ফেরিঘাটের উপ-ব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকেই ধীরে ধীরে কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে গেলে নৌপথে দৃষ্টিসীমা বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে রাত সাড়ে ১২টা থেকে এ রুটে চলাচলকারী সব ফেরি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।’
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় নদীর দুই পাড়ে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, প্রাইভেটকারসহ শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিশেষ করে রাতভর যানবাহনে অপেক্ষমাণ চালক ও যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন:
শুক্রবার সকালে সূর্যের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব কমতে শুরু করলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফেরি চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে মাঝ নদীতে ফেরিগুলো ধীর গতিতে চলাচল করছে বলে জানান ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ।
নরসিংহপুর ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, কুয়াশা পুরোপুরি কেটে গেলে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হবে এবং ধীরে ধীরে ঘাটে সৃষ্টি হওয়া যানজটও নিরসন হবে।
উল্লেখ্য, শরীয়তপুর–চাঁদপুর নৌপথ দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। এ রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হলে দুই জেলার পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের ২১জেলার যাত্রী ও পণ্য পরিবহনেও ব্যাপক প্রভাব পড়ে।





