সাক্ষাৎকালে ডাকসু প্রতিনিধিরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীন কণ্ঠস্বর খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, ‘‘ডিফারেন্স অব অপিনিয়ন’ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের ঐক্যমত অটুট থাকবে।’
এ সময় তিনি দেশের স্বার্থে তরুণ সমাজকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তোমাদের বয়সে থাকতে দেশে অনেক বেশি সন্ত্রাস ও রাহাজানি ছিল। দেশ অনেক বেশি অস্থিতিশীল ছিল। নিশ্চয়ই আমি চাইবো না, আমার সন্তানরাও এমন একটি বাংলাদেশ ফেইস করুক।’
আরও পড়ুন:
ডাকসু প্রতিনিধিদল প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুমা খালেদা জিয়ার আপোষহীন সংগ্রাম ও ত্যাগের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি ধারণ করে দেশের স্বার্থে সকল প্রকার আধিপত্যবাদ, দুর্নীতি, ইসলামোফোবিয়া, সন্ত্রাস ও দেশবিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে।’
এ সময় তারা ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত সংগ্রাম জারি রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দীন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য শাহিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।





