জাতীয় নাগরিক কমিটির বক্তব্যে সরগরম রাজনীতির মাঠ। টকশো, আলোচনা সভায় থেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে যুক্তিতর্কের তুঙ্গে মুজিববাদ, জিয়াবাদ ইস্যু।
প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভায় চলমান ইস্যুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান তুলে ধরে, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াকে নিয়ে কোন কটূক্তি না করার আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক। এসময় নির্বাচন বিলম্ব হলে, প্রয়োজনে রাস্তায় নামার কথা জানান তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, ‘যে জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে, যে জিয়া বাংলাদেশকে মুসলিম দরবারে পরিচিতি লাভে করিয়েছে, যে জিয়া সার্ক গঠন করেছে, যে জিয়া সকল দলের নেতাদের নিয়ে দেশ পরিচালনা করেছে। সেই জিয়া ও জিয়াবাদকে দয়া করে কোন কটূক্তি না করা ভালো।’
এদিকে প্রেসক্লাবে শহীদ আসাদ পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানান। জাতীয় ঐক্যে ফাটল ধরে এমন কোন কাজ না করার আহ্বানও জানান।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানুল্লাহ আমান বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নির্বাচন দিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তাতর হবে এটাই জাতির প্রত্যাশা ’
এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকারের প্রয়োজন হবে। নির্বাচনে দেরি হলে শক্তিশালী হবে ফ্যাসিবাদী।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ যদি না থাকে তাহলে একটা নিরপেক্ষ সরকারের দরকার হবে নির্বাচনের সময়। আমি এই কথাটা বলছি এর কারণ আমরা দেখছি বেশ কিছু অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষতা পালন করতে পারছেন না। আমি তাই অনুরোধ করব, আমরা প্রত্যাশা করি অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখবেন এবং দেশের সংকট থেকে মুক্ত করার জন্য তারা কাজ করবেন।ন্যূনতম সংস্কার করে আমাদের নির্বাচনের পথে যাওয়া উচিত। নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার আসবে তাদের দায়িত্ব হবে সংস্কারকে বাস্তবায়িত করা। ’
এ সময় বক্তারা আরো বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অংশীজনদের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি হলে ইতিহাসে দায় মুক্তি পাবে না অন্তর্বর্তী সরকার।