দেশে এখন
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ সর্বস্তরের মানুষ। জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ছিলেন সফররত ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগুয়েল ওয়ানচুক।

স্বাধীন বাংলার আকাশে উঠা সূর্যটি ৫৪ বছর ছুঁলো। আর বহু আন্দোলন, সংগ্রাম আর ত্যাগের পথ বেয়ে মুক্তির প্রথম সূর্যটি উঠেছিল একাত্তরের ২৬শে মার্চ। যার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে এই স্মৃতির স্মারক।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) ভোরের আলো ফুটতেই সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসেন রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান। সঙ্গে বন্ধুদেশ ভুটানের রাজা। বীর সংগ্রামীদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা। এসময় কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায় এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।

পরে দলীয় প্রধান হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদের স্পিকার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান এ সময় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ছিলেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া দেশি-বিদেশি শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকরাও।

এরপর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় স্মৃতিসৌধের ফটক। ফুলের তোড়া হাতে প্রবেশ করেন নানা শ্রেণীপেশার মানুষ।

পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্ত হতে সশস্ত্র সংগ্রাম হয় ৯ মাস। তবে সংগ্রামের ইতিহাস বহু বছরের। যাদের ত্যাগের রক্তে লেখা নাম বাংলাদেশ, তাদের ত্যাগের অবদান গেঁথে রবে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে।

সাভারে শ্রদ্ধা জানিয়ে ধানমন্ডিতে আসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। পরে দলের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ইএ