হিমবাহ ধস
বৈশ্বিক উষ্ণতায় হিমালয়ে বিপর্যয়; জাতিসংঘের ক্ষতিপূরণ চায় নেপাল

বৈশ্বিক উষ্ণতায় হিমালয়ে বিপর্যয়; জাতিসংঘের ক্ষতিপূরণ চায় নেপাল

গত মাসে নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি ভূমিকা রয়েছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। এই গবেষণাকে মূল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে জাতিসংঘের দুর্যোগ তহবিল থেকে প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার সহায়তার দাবি জানানোর পরিকল্পনা করছে নেপাল। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নেপালে হিমবাহ ধসে বন্যা, ক্ষতি কাটাতে দরকার ৪৭৮ কোটি ডলার

নেপালে হিমবাহ ধসে বন্যা, ক্ষতি কাটাতে দরকার ৪৭৮ কোটি ডলার

গত মাসে হিমবাহ ধসের জেরে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নেপালের প্রায় ৪৭৮ কোটি ডলার প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ (শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী বলেন, ‘পুনর্গঠনের জন্য আনুমানিক মোট ৪৭৮ কোটি ডলার প্রয়োজন হবে।’

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী নয় নেপাল, জাতিসংঘের কাছে ২ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী নয় নেপাল, জাতিসংঘের কাছে ২ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি

হিমালয় উপত্যকায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহ ধসে বিপুল প্রাণহানির পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং ২ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে নেপাল। বৈশ্বিক উষ্ণায়নে নগণ্য অবদান রাখা সত্ত্বেও জলবায়ু পরিবর্তনের চরম মাশুল দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে জাতিসংঘের লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড থেকে এই অর্থ চেয়েছে দেশটির সরকার।

৬০ বছরে চীনের ২২ হাজার বর্গ কিলোমিটার হিমবাহ উধাও, ঝুঁকিতে ৫২৮ হ্রদ

৬০ বছরে চীনের ২২ হাজার বর্গ কিলোমিটার হিমবাহ উধাও, ঝুঁকিতে ৫২৮ হ্রদ

হিমবাহ ধসে নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বজুড়ে হিমবাহগুলো দ্রুত গলে যাওয়ায় চীনের মালভূমির হিমবাহকে ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে। গেল ৬০ বছরে চীনে হিমবাহ গলে ৬১ হাজার থেকে ৩৯ বর্গ কিলোমিটারে নেমে এসেছে। এদিকে, আন্দিজ পর্বতমালায় ৫শ'র বেশি হিমবাহ হ্রদ ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন পেরুর বিশেষজ্ঞরা।

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদের পানি কমছে; কাটছে দ্বিতীয় দফা বন্যার ঝুঁকি

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদের পানি কমছে; কাটছে দ্বিতীয় দফা বন্যার ঝুঁকি

চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট কৃত্রিম হ্রদটি আকারে ছোট হয়ে আসায় তা ভেঙে প্লাবনের আশঙ্কা কমেছে। গতকাল (শনিবার, ২৯ আগস্ট) চীনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে হিমবাহ ধসে ওই সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ ভাঙার শঙ্কা কমছে; উদ্ধার তৎপরতা চালানোর সুযোগ

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ ভাঙার শঙ্কা কমছে; উদ্ধার তৎপরতা চালানোর সুযোগ

চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট কৃত্রিম হ্রদটি আকারে ছোট হয়ে আসায় তা ভেঙে প্লাবনের আশঙ্কা কমেছে। শনিবার চীনের কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ওই এলাকায় ভয়াবহ হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

হিমালয়ে বিপর্যয়ে নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৫৭৯; নিখোঁজ প্রায় ২ হাজার

হিমালয়ে বিপর্যয়ে নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৫৭৯; নিখোঁজ প্রায় ২ হাজার

নেপালে গত বুধবার হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭৯ জনে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৯২৪ জন। উদ্ধারকাজে ইতিমধ্যে ১৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রায় ৪ হাজার মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ)। এদিকে ধসের ফলে সৃষ্ট নতুন একটি হ্রদ এবং কাছাকাছি আরও দুটি হিমবাহে ফাটল ধরা পড়ায় বড় ধরনের নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নেপালে হিমবাহ ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯; ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালাচ্ছেন সেনাসদস্যরা

নেপালে হিমবাহ ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯; ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালাচ্ছেন সেনাসদস্যরা

নেপালে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯ জনে পৌঁছেছে। কাদার স্তূপ ও ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযানে নামানো হয়েছে সেনা ও পুলিশসহ ১৩ হাজারের বেশি সদস্য। এর মধ্যেই চীনের সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ভোতে কোশি নদীতে নতুন করে হ্রদ তৈরি হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নেপালে ‘দ্বিতীয়-তৃতীয় ঢেউ’য়ের আশঙ্কা

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নেপালে ‘দ্বিতীয়-তৃতীয় ঢেউ’য়ের আশঙ্কা

নেপাল-তিব্বত সীমান্তের লাংটাং লিরুং পর্বতে হিমবাহ ধস ও তাতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত ২৮৯ জন নিহত উদ্ধার হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন। এদিকে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আজ (বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট) অথবা আগামীকাল (শুক্রবার, ২৮ আগস্ট) ওই এলাকায় ‘দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউ’ আঘাত হানতে পারে। রাতভর নারায়ণী নদীতে ২০০ কিলোমিটার দূরে নওয়ালপরাসি জেলায় মানবদেহ, পশুর মরদেহ ও ধ্বংসস্তূপ ভাসতে দেখা গেছে।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধস কেন, কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধস কেন, কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তের হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ২৮৯ জন নিহত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন। তবে এই বিপর্যয়ের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে বিজ্ঞানীরা নানা তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে ধারণা দিচ্ছেন। তাদের মতে, হিমালয় অঞ্চলের বাড়তি উষ্ণতা ও হিমবাহের অস্থিরতা এই ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

উপগ্রহ চিত্রে উঠে এলো তিব্বত-নেপাল সীমান্তের ভয়াবহ ধ্বংসচিত্র

উপগ্রহ চিত্রে উঠে এলো তিব্বত-নেপাল সীমান্তের ভয়াবহ ধ্বংসচিত্র

মহাকাশ থেকে তোলা উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে নেপালের উত্তরাঞ্চলে পাহাড়ি নদীর তাণ্ডবে সৃষ্টি হওয়া ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহ চিত্র। তিব্বতের লেন্দে খোলায় প্রকাণ্ড বরফখণ্ড ও পাথর ধসে তৈরি হওয়া সেই কাদাস্রোত নদী অববাহিকার প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকা প্লাবিত করে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে একের পর এক গ্রাম, বাজার ও উন্নয়ন প্রকল্প। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‘সবকিছু মাটির সঙ্গে মিশে গেছে’; নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ১,৫০০ মানুষ নিখোঁজ

‘সবকিছু মাটির সঙ্গে মিশে গেছে’; নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ১,৫০০ মানুষ নিখোঁজ

হিমালয়ের পর্বত থেকে নেমে আসা পাথর ও কাদার প্রকাণ্ড স্রোত চোখের পলকে গ্রাস করেছে আস্ত একটি জনপদ। হেলিকপ্টার থেকে নিচে তাকালে দেখা যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট কিংবা রেস্তোরাঁর কোনো চিহ্নই আর বাকি নেই; কাদার স্তূপে সবকিছু একদম সমতল হয়ে গেছে। নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে গত বুধবারের এই আকস্মিক বন্যায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৭৭ ছাড়িয়েছে, আর নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত দেড় হাজার মানুষ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।