
২ বছরে ৯০ শতাংশ জনগোষ্ঠীর কাছে ফাইভ-জি পৌঁছানোর পরিকল্পনা
দেশের ৯০ শতাংশ জনগোষ্ঠীর কাছে আগামী দুই বছরের মধ্যে ফাইভ-জি (৫জি) সেবা পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সব মোবাইল অপারেটর এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চালুর ৬ মাস পরও ফাইভ-জি সেবার বাইরে দেশের বিশাল অঞ্চল
চালু হওয়ার প্রায় ছয়মাস পার হলেও এখনো দেশের বিশাল অঞ্চল ফাইভ-জি সেবার বাইরে, যেসব স্থানে চালু হয়েছে সেখানেও নেই মানসম্পন্ন সেবা। যদিও অপারেটররা দায়ী করছেন ফাইভ-জি মুঠোফোন কম, স্মার্ট কারখানা ও স্বয়ংক্রিয় শিল্পের অভাবকে। আর প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, মুঠোফোনের দাম কমানো ও ফাইভ-জি প্রযুক্তি বৃদ্ধির দিকে নজর দিতে হবে সরকারকে।

চীনা প্রযুক্তি ফাইভ জির সরঞ্জাম ব্যবহার বন্ধের ঘোষণা জার্মানির
২০২৬ সালের শেষে চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ে ও জেড টি ই নির্মিত ফাইভ জি'র সরঞ্জাম ব্যবহার বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি। জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনা প্রযুক্তি ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত এসেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

এক লাইসেন্সে ফাইভ-জিসহ সব সেবার অনুমোদন দিলো বিটিআরসি
দেশের তিনটি মোবাইল অপারেটর গ্রামীন, রবি ও টেলিটককে একীভূত লাইসেন্স হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর ফলে পূর্বের টু জি, থ্রি জি ও ফোর জি প্রযুক্তি এবং তরঙ্গ ফির জন্য আলাদা লাইসেন্স এবং নির্দেশিকার পরিবর্তে সব বিষয়কে এক লাইসেন্সের আওতায় আনা হয়েছে।