
বান্দরবান ও কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ৭ জনের মৃত্যু
টানা ভারী বর্ষণের জেরে বান্দরবানের লামা এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে লামায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন এবং চকরিয়ায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই) ভোররাতে এই পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: লার্নিং সেন্টারের ওপর মাটিচাপায় ৫ শিক্ষার্থী নিহত
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি লার্নিং সেন্টারের (শিক্ষা কেন্দ্র) ওপর পাহাড়ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে মাটির নিচে চাপা পড়ে এ পর্যন্ত ৫ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের টিম।

টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কা
বান্দরবানে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে লক্ষাধিক মানুষ। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের আশঙ্কা। ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সরিয়ে না নিলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে প্রাণহানির ঘটনা। এদিকে প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, দূর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলায় দুই শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পাহাড়ের ঢালে মাটি কেটে বসবাসের জন্য তৈরি করা হয়েছে বসতঘর।

রাঙামাটিতে পাহাড় ধস ট্র্যাজেডির ৯ বছরেও টনক নড়েনি প্রশাসনের
রাঙামাটিতে পাহাড় ধস ট্র্যাজেডির ৯ বছর পূর্ণ হলো আজ (শনিবার, ১৩ জুন)। ২০১৭ সালের এই দিনে রাঙামাটিতে ভয়াবহ পাহাড় ধসে পাঁচ সেনা সদস্যসহ মারা যায় ১২০ জন। এরপর ২০১৮ সালের ১২ জুন জেলার নানিয়ারচরে পাহাড় ধসে মৃত্যু হয় ১১ জনের। পাহাড় ধসে ১৩১ জনের মৃত্যুর পরও টনক নড়েনি প্রশাসনের। জেলায় এখনও লক্ষাধিক মানুষ বাস করছে ঝুঁকিপূর্ণভাবে।

উজানের ঢলে দেশের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি; টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা
ভারী বর্ষণে দেশের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উজানের ঢলে ফেনীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কয়েকটি স্থানের ভাঙনে প্লাবিত হয়েছে অন্তত ৩০টি গ্রাম। অন্যদিকে, নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে পার্বত্য তিন জেলায় দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের শঙ্কা।

বৈরী আবহাওয়া, পর্যটকদের জন্য বন্ধ বান্দরবানের দেবতাখুম
টানা ভারি বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা এবং পর্যটকদের ঝুঁকি এড়াতে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র দেবতাখুম বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ (বুধবার, ১৮ জুন) রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা, ১৬ ইউনিয়নে পানি
রাঙামাটিতে টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টিতে পাহাড় ধস ও সড়ক ধসের আশঙ্কা এখনো কাটেনি। ঝুঁকিতে থাকা ৯৩৮ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রে। গত রোববার (১ জুন) আবারো পাহাড় ধসের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাঙামাটিতে অতিবর্ষণ ও পাহাড় ধসের সতর্কবার্তা, আতঙ্কে স্থানীয়রা
রাঙামাটিতে ৫ দিনের টানা বর্ষণে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ও সড়কে ধসের ঘটনায় এখনো আতঙ্ক কাটেনি। রোববার (১ জুন) আবারো অতিবর্ষণ ও পাহাড় ধসের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নতুন করে কোথাও পাহাড় ধসের খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঝুঁকিতে থাকা ৯৩৮ জন বাসিন্দা উঠেছেন আশ্রয়কেন্দ্রে।

পাহাড় ধসের শঙ্কা; লামায় ৬০ রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা
বান্দরবানের লামায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় ৬০টি পর্যটন রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ (রোববার, ১ জুন) দুপুরে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক জরুরি বৈঠক শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মইন উদ্দিন এ নির্দেশনা জারি করেন।

টানা বৃষ্টিপাতে বান্দরবানে বাড়ছে পাহাড় ধসের শঙ্কা
টানা বৃষ্টিপাত ও অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে বান্দরবানে বাড়ছে পাহাড় ধসের আশঙ্কা। আজ (রোববার, ১ জুন) ভোর থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বাসিন্দারা।

রাঙামাটির আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় আসতে শুরু করেছে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দারা
রাঙামাটিতে মাঝারি থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪০.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরইমধ্যে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এসব ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সন্ধ্যা থেকে মাঝারি থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হলে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আসতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে শহরের লোকনাথ মন্দিরে ১৮টি পরিবারের ৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

ভারী বৃষ্টিতে রাঙামাটিতে পাহাড় ধস, বাড়তি পানির চাপে বেড়িবাঁধে ভাঙন
সাগরের গভীর নিম্নচাপ বৃষ্টি ঝরিয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। তবে দেশের কোথাও কোথাও চলমান বৃষ্টি পানির চাপ বাড়িয়েছে। পানির অতিরিক্ত চাপে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে নোয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকায়। ভারী বৃষ্টিতে রাঙামাটির বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনাও ঘটেছে।