দক্ষিণ-কোরিয়ার-প্রেসিডেন্ট

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের পক্ষে-বিপক্ষে রাজপথে হাজারও মানুষ

অভিশংসিত হওয়ার সাত দিন গেলেও সাংবিধানিক আদালত থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় গভীর হচ্ছে রাজনৈতিক সংকট। ইউন সুক ইওলের পক্ষে-বিপক্ষে রাজপথে হাজারও মানুষ। সাংবিধানিক আদালতকে দ্রুত রায় দেয়ার দাবি অভিশংসনের পক্ষে-বিপক্ষের আন্দোলনকারীদের। রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ক্ষমতায় রাখা-না রাখার সিদ্ধান্ত দ্রুতই হওয়া উচিত বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা দক্ষিণ কোরিয়া প্রেসিডেন্টের

তদন্ত কিংবা অভিশংসন, যে ব্যবস্থাই নেয়া হোক না কেনো, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা ইউন সুক ইওলের। গণতন্ত্র রক্ষায় সামরিক আইন জারি করা হয়েছিল বলেও দাবি তার। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অভিশংসন ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই বলে মন্তব্য ক্ষমতাসীন দল পিপিপি প্রধানের। আগামীকাল (শনিবার , ১৪ ডিসেম্বর) দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্টকে অভিশংসন প্রস্তাবের বিষয়ে পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হবে। যেখানে অংশ নিতে যাচ্ছেন ইওলের দলের আইনপ্রণেতারাও।

জাতির উদ্দেশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট

সামরিক আইন জারির জন্য জাতির উদ্দেশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইওল। আজ (শনিবার, ৭ ডিসেম্বর) টেলিভিশন ভাষণে তিনি জানান, আবারও মার্শাল ল জারির কোনো পরিকল্পনা নেই তার।

‘দক্ষিণ কোরিয়ায় অস্থিতিশীলতার সুযোগে হামলা করতে পারে উত্তর কোরিয়া‘

একনায়কতন্ত্রের পথকে সুগম করতে সামরিক আইন জারি করার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়েছে অভিশংসন প্রস্তাব। দুই-তৃতীয়াংশ আইন প্রণেতাদের ভোট ইয়ুন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গেলে অফিস ছাড়তে বাধ্য হবেন তিনি। এদিকে বিরোধী দলের প্রধানের দাবি, দেশের অস্থিতিশীলতার সুযোগে দক্ষিণ কোরিয়ায় হামলা করতে পারে উত্তর কোরিয়া।