
ঈদুল ফিতরের প্রকৃত তাৎপর্য: আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও আত্মশুদ্ধির মহোৎসব
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা ও ইবাদত-বন্দেগির পর মুসলিম উম্মাহর দ্বারে সমাগত পবিত্র ঈদুল ফিতর (Eid-ul-Fitr 2026)। ঈদ কেবল একটি উৎসব নয়, বরং এটি ইসলামের মহানুভবতা ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য নিদর্শন। ইসলামী মূল্যবোধের আলোকেই এই দিনটির গুরুত্ব ও ফজিলত (Significance and virtues of Eid) অনুধাবন করা জরুরি।

যেসব জিনিসের যাকাত দিতে হয় না, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট মাসআলা
ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ পবিত্র যাকাত (Zakat) কেবল একটি ইবাদতই নয়, এটি মূলত সমাজের অসহায় মানুষের হক। মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দার হকের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে মুমিন মুসলমানরা দ্বিধায় পড়েন কোন কোন সম্পদের ওপর যাকাত দিতে হবে না। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের বেশ কিছু জিনিসের ওপর যাকাত ফরজ হয় না।

শাড়ি বা লুঙ্গি দিয়ে কি যাকাত দেওয়া জায়েজ?
পবিত্র রমজান মাস (Ramadan) এলেই সামর্থ্যবান মুসলমানদের মধ্যে যাকাত আদায়ের সচেতনতা বাড়ে। যাকাত ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি এবং এটি একটি ফরজ ইবাদত (Compulsory worship)। তবে আমাদের সমাজে যাকাত হিসেবে শাড়ি বা লুঙ্গি দেওয়ার একটি দীর্ঘদিনের প্রচলন রয়েছে। ইসলামি স্কলারদের মতে, যাকাত নগদ টাকা (Cash money) দিয়ে আদায় করা যেমন জায়েজ, তেমনি পণ্যের (যেমন: কাপড় বা খাদ্যদ্রব্য) মাধ্যমে আদায় করাও বৈধ।

ইতিকাফের সঠিক নিয়ম: ইবাদতের সময় কী করা যাবে আর কী যাবে না?
রমজান মাসের শেষ দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো ইতিকাফ (Itikaf)। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় দুনিয়াবি সব কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মসজিদে বা নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলা হয়। তবে ইতিকাফ অবস্থায় কোন কাজগুলো করা জায়েজ আর কোনগুলো নিষিদ্ধ, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে।

ঘরে বসে পরিবার নিয়ে যেভাবে লাইলাতুল কদর খুঁজবেন
পবিত্র মাহে রমজানের শেষ দশ দিন (Last ten days of Ramadan) মুমিন মুসলমানের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির এক অনন্য সুযোগ। এই মহিমান্বিত সময়ে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকা এবং পরিবারের সদস্যদেরও এতে শামিল করা নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম সুন্নাহ। হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রমজানের শেষ দশক এলে নবীজি ইবাদতের জন্য কোমর বেঁধে নিতেন, সারারাত জেগে ইবাদত করতেন এবং নিজের পরিবারকেও জাগিয়ে তুলতেন (সহিহ বুখারি)।

ইতিকাফ: ফজিলত, বিধান ও শবে কদর প্রাপ্তির সহজ উপায়
পবিত্র মাহে রমজানের বিদায়ী ঘণ্টা বাজছে। সামনেই মুমিনদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত শেষ দশক। এই দশকের অন্যতম প্রধান ইবাদত হলো ইতিকাফ (Itikaf)। ইতিকাফের মাধ্যমে একজন মুমিন নিজেকে দুনিয়ার সব ব্যস্ততা থেকে বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহর সান্নিধ্যে সঁপে দেন। ইতিকাফের মূল লক্ষ্য হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং মহিমান্বিত রাত লাইলাতুল কদর (Laylat al-Qadr) প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।

রমজানের শেষ দশক: কেন এই ১০ দিন মুমিনদের জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার?
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আসা পবিত্র রমজান (Ramadan) মাস মুমিনদের জন্য এক বিশেষ তুহফা। পুরো মাসটিই বরকতময় হলেও রমজানের শেষ দশক (Last Ten Days of Ramadan) ইসলামের দৃষ্টিতে অধিক মহিমান্বিত ও মর্যাদাপূর্ণ। ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের এটিই শ্রেষ্ঠ সময়।

রমজান উপলক্ষে দেশে দেশে উৎসবের হাওয়া
চলছে সিয়াম সাধনার মাস। সৃষ্টিকর্তার প্রতি নিজেকে নিবেদন আর ইবাদত-বন্দেগির চর্চা অভিন্ন কোটি মুসলিমের। তবে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দেশে দেশে উৎসবের হাওয়া বইছে ভিন্ন আঙ্গিকে।