সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের লোগো উন্মোচন, শিরোপার স্বপ্ন থমাস ডুলির

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ লোগো উন্মোচনের অনুষ্ঠান
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ লোগো উন্মোচনের অনুষ্ঠান | ছবি: এখন টিভি
0

উন্মোচিত হলো দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ আসর সাফ ২০২৬’র লোগো। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে মোট ৭টি দল। শিরোপা জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি।

আগামী ৪ নভেম্বর থেকে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। আজ (শনিবার, ২৫ জুলাই) উন্মোচিত হলো সাফ ২০২৬ আসরের লোগো। যেখানে ফুটে উঠেছে স্বাগতিক বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি।

সাফের ২০ তম আসরকে সামনে রেখে আত্মবিশ্বাসী লাল-সবুজদের গুরু থমাস ডুলি। দীর্ঘদিনের শিরোপা খরা কাটাতে চান এই মার্কিন কোচ। পাশাপাশি আশা করছেন বিশ্বকাপের মতো দর্শকদের উন্মাদনা থাকবে সাফেও।

বাংলাদেশ ফুটবল দলের হেড কোর্চ থমাস ডুলি বলেন, ‘আমি সবসময় ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করতে পছন্দ করি। জীবনে যে কোনো কিছুই করা সম্ভব, যদি আপনার লক্ষ্য বাস্তবসম্মত হয়। সাফ জয় করাটা অবশ্যই বাস্তবিক স্বপ্ন। এবারের সাফ হবে আমাদের ঘরের মাঠে। এই শিরোপাটি আমরা ২৩ বছর ধরে জিততে পারেনি। যদি মাঠে ২৫ হাজার আশাবাদী ভক্তই না পাই, তাহলে কী আর বলব। কিন্তু আমার বিশ্বাস তারা সমর্থন দিতে ঠিকই মাঠে আসবে।’

আরও পড়ুন

ট্রফি জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী মোরসালিন-তপুরাও। ইতিবাচক ফুটবল খেলার আশ্বাস বাংলাদেশী ফুটবলারদের কণ্ঠে।

বাংলাদেশ দলের ফুটবলার মোরসালিন বলেন, ‘ওভার এক্সাইটেড হইতে চাই না বা ওভার কনফিডেন্ট হইতে চাই না, আমরা আমাদের নরমাল খেলা খেলতে চাই। আমরা আশা করছি, এ সাফ ইনশাল্লাহ আমরা বাংলাদেশে রাখতে পারব।’

এ দিকে বাংলাদেশ দলের ফুটবলার তপু বলেন, ‘২৩ বছর আগে আমরা সাফ জিতেছি। আসলে এটা আমাদের মেইন টার্গেট এবং আমরা আসলে এ সাফটা জিততে চাই।’

সাফে এবার অংশ নিচ্ছে মোট ৭টি দল। তবে ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপালের অংশগ্রহণ নিয়ে আছে শঙ্কা। ভারত আসছে পূর্ণশক্তি নিয়েই। দীর্ঘ ২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর লক্ষ্য মাঠে নামবে স্বাগতিকরা।

রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাট্টেল, বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম, বাংলাদেশ দলের কোচ পিটার ডুলি ও জাতীয় দলের খেলোয়াড় মোরসালিন, তপু বর্মনসহ অনেকে। সাফের লোগোতে ঠাঁই পেয়েছে জাতীয় ফুল শাপলা, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

জেআর