ডালাস স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। তবে সুযোগ তৈরি করলেও কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্সকে গোলের দেখা পেতে দেয়নি স্পেনের দৃঢ় রক্ষণ।
ম্যাচের ২২ মিনিটে বক্সের ভেতর ফাউলের পর পাওয়া পেনাল্টি থেকে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়ারজাবাল। গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় ফ্রান্স। কিন্তু স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয় লেস ব্লুরা।
বিরতির পর ৫৮ মিনিটে দানি ওলমোর সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু খেলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। এরপর দেজিরে দুয়ে ও রায়ান শেরকিকে নামিয়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় ফ্রান্স।
তবে গোলরক্ষক উনাই সিমনের দুর্দান্ত সেভ আর মার্ক কুকুরেয়ার দৃঢ় ডিফেন্সে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে মাতে স্পেন। অন্যদিকে হতাশায় মাঠ ছাড়ে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।
২-০ গোলের জয়ে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে স্পেন। আগামী রোববার নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে লা রোহারা। অন্যদিকে শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবে ফ্রান্স।
