বিশ্বকাপের শুরুটা একেবারেই মনমতো হয়নি বেলজিয়ামের জন্য। দুই ম্যাচে দুই ড্র-তে কিছুটা সমালোচনার মুখেই পড়তে হয়েছিল তাদের। কিন্তু শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বেলজিয়াম দেখালো দাপট। ম্যাচের ২৮ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পান ট্রসার্ড। কর্নার থেকে আসা বল নিউজিল্যান্ড রক্ষণের ভুলে ফাঁকায় পেয়ে যান তিনি। সহজ ফিনিশে করেছেন গোল। প্রথমার্ধে চারবার অন টার্গেট শট নিলেও ওই এক গোলই আদায় করতে পেরেছিল ডি ব্রুইনার দল।
বিরতির পর ৫০তম মিনিটে নিজের দুর্দান্ত বল কন্ট্রোলিংয়ের নজির দেখিয়ে দলের দ্বিতীয় গোল করেন ট্রসার্ড। ৬৬ মিনিটে ট্রসার্ডের অ্যাসিস্টেই বেলজিয়ামকে ৩য় গোল এনে দেন কেভিন ডি ব্রুইনা। সেই সঙ্গে গোল ব্যবধানে গ্রুপ জি শীর্ষস্থানও দখল করে দলটি। ৮৪ মিনিটে নিউজিল্যান্ডের এলাইজা যাস্ট গোল করে ম্যাচে ফেরার আভাস দিলেও তা কাজে লাগেনি। ৮৬ মিনিটে রোমেলু লুকাকু এবং অতিরিক্ত সময়ে অ্যালেক্সিস সেলমেকারস গোল করলে ৫-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বেলজিয়াম।
আরেক ম্যাচে বিশ্বকাপে টিকে থাকার মিশনে মাঠে নেমে ৫ মিনিটেই গোল হজম করে ইরান। মাহমুদ সাবেরের গোলে এগিয়ে যায় মিশর। ১৪ মিনিটেই ক্লোজ রেঞ্জ শটে রামিন রেজাইন ইরানকে সমতায় ফেরান। এরপর অবশ্য পারসিয়ানরা বারবার চেষ্টা করেও আর কোনো গোলের দেখা পায়নি। অধিনায়ক মেহদি তারেমি মিস করেছেন পেনাল্টি। আর শেষদিকে গোল বাতিল হয়েছে অফসাইডের ফাঁদে। ড্র এর সুবাদে মিশর গ্রুপ রানারআপ হয়ে পা রেখেছে নকআউটে।
রাউন্ড অফ ৩২-তে মিশর খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। প্রতিপক্ষের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে বেলজিয়ামকে। আর তৃতীয় সেরা হিসেবে নকআউটের জন্য ভাগ্য ঝুলে আছে ইরানের।





