এই ইভেন্টে কোনো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ না থাকায় সেমিফাইনালে হার নিশ্চিত করেই ঐতিহাসিক এই পদক পান তিনি। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়ার প্রতিযোগী অতিরিক্ত ওজনের কারণে ডিসকোয়ালিফাইড হলে, রিংয়ে না নেমেই সেমিফাইনালে উঠে যান নেত্রকোনার ২৩ বছর বয়সী এই তরুণী।
১৯৮৬ সালের সিউল এশিয়ান গেমসে বক্সার মোশাররফ হোসেনের পর এই প্রথম কোনো একক ইভেন্টে বাংলাদেশের ঝুলিতে এলো ব্রোঞ্জ পদক। আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর গলায় ঝোলানো হবে এশিয়ান গেমসের এই ঐতিহাসিক পদক।





