‘আমি এখনও পর্যন্ত সেই ট্রমা হজম করতে পারি না।’ কান্নাভরা কন্ঠে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা দেন রাগবি ফেডারেশনের ম্যাচ অফিশিয়াল সুমাইয়া সুলতানা।
কি ঘটেছিলো সেদিন? বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশনের ম্যাচ অফিসিয়াল সুমাইয়া সুলতানা বলেন, ‘আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করা হয় তখন আমি টেবিল ধরে কোনো রকমে ব্যালেন্স করেছি। রেফারিদের জন্য ৩টা চেয়ার হয়। আমি একটা চেয়ার বসতে যাই, তখন সে আমার পেছন থেকে চেয়ার টেনে সরিয়ে দেয়, আমি অবচেতন হয়ে নিচে পড়ে যাই। আর আমি যখন পড়ে যাই, তখন সেখানে ৬ থেকে ৭ টা টিম, ম্যানেজার, কোচ ও ফেডারেশনের অনেক সিনিয়র ছিলো।’
রাগবি ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুস সাকিব শোভন নিজেকে সর্বেসর্বা মনে করেন বলে অভিযোগ সুমাইয়ার। এ ঘটনা ফেডারেশনকে জানিয়েও প্রতিকার পাননি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সুমাইয়া সুলতানা বলেন, ‘আমি সবাইকে ফোন দিয়েও জানানোর চেষ্টা করেছি। আনিস স্যার আমাকে বলেছিল ব্যাপারটা আমি দেখতেছি কিন্তু সে এ বিষয়ে কোনো তদন্ত করে নাই। তার কান পর্যন্ত যাওয়ার পরেও তিনি বিষয়টা দেখেন নাই।’
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গেলে মুঠোফোনে নাজমুস সাকিব জানান, শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণেই সুমাইয়ার বিপক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সময় তার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগও করেন বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশনের এই কর্মকর্তা।
নাজমুস সাকিব শোভন বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে তাকে ডাকা হয়েছিলো সে আসে নাই। তাকে ফোন দেয়া হয়েছিলো সে রিসিভ করে নাই, এছাড়া তাকে চিঠি দেয়া হয়েছিলো সেটার কোনো উত্তর তার থেকে পাওয়া যায় নাই।’
ক্রীড়াক্ষেত্রে নারীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ বা হেনস্তার ঘটনা নতুন নয়। অভিযোগ আমলে নিয়ে সুষ্ঠুভাবে কাজ করা ও এর সঠিক তদন্ত কমিয়ে আনতে পারে এমন অভিযোগ কিংবা পাল্টা অভিযোগ। তাহলেও ক্রীড়াক্ষেত্র হবে নারীবান্ধব।





