৩-৬; ৬-৩; ৪-৬; ৬-৪; ৬-৪ স্কোরলাইনই বলে দেয় ম্যাচটা কতটা টানটান ছিল। রাত প্রায় দুইটা পর্যন্ত চলা এ লড়াইয়ে দুজনই খেলেছেন বিশ্বমানের টেনিস।
ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত জকোভিচ জানান, ২০১২ সালের নাদালের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ম্যাচের কথা। তিনি স্বীকার করেন, সিনার তাকে শেষ সীমা পর্যন্ত ঠেলে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
নির্ধারণী পঞ্চম সেটে ৪-৪ সমতায় গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক তুলে নিয়ে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেন জকোভিচ। এবার ফাইনালে কার্লোস আলকারাসের সঙ্গে আরেকটি মহারণের অপেক্ষা।





