আন্তর্জাতিক মানের চেয়ে ছোট গোলপোস্ট, ঝুঁকিতে গোলকিপার

ফুটবল মাঠ
ফুটবল মাঠ | ছবি: এখন টিভি
0

আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় ছোট পরিসরের গোলপোস্ট। যাতে ইনজুরিতে পড়ার শঙ্কা থাকে গোলকিপারের। মানিকগঞ্জের মিরাজ তপন স্টেডিয়ামের চিত্র এটি। এখানেই চলছে শীর্ষ ঘরোয়া আসরের ম্যাচ। এ নিয়ে ভেন্যুতে পা রেখেই আপত্তি তুলেছেন সিটি ক্লাবের গোলরক্ষক কোচ নুরুজ্জামান নয়ন। যদিও সমস্যা কিংবা সমাধান কোনটিই জানা নেই ভেন্যুর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের।

ফেডারেশন কাপের ম্যাচ খেলতে মানিকগঞ্জের মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে এসেই সিটি ক্লাবের গোলরক্ষক কোচ নুরুজ্জামান নয়ন হাজির মাঠের পরিস্থিতি দেখতে। আর তাতেই বাঁধে বিপত্তি। গোলবারটাই যে ইনজুরিতে ফেলার জন্য যথেষ্ট!

ভেন্যুর দায়িত্বে থাকা মোশাররফ বাদলের সঙ্গে এ নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চললো আলোচনা। গোলবারের সমস্যা কি, আর সমাধান কি সেটাও দেখিয়ে দিয়েছেন জাতীয় ক্লাবের সাবেক গোলরক্ষক কোচ নয়ন।

বাস্তবিক অর্থেই আন্তর্জাতিক যেকোনো গোলবারের তুলনায় এখানে জায়গা কম। কিন্তু সেটা কেন এই ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে? উত্তর শোনা যাক অভিজ্ঞ এই কোচের কাছে।

সিটি ক্লাবের গোলরক্ষক কোচ নুরুজ্জামান বলেন, ‘এখানে যেটা দেয়া আছে, এটা ভেরি ক্লোজ টু গোল লাইন। তো সেই ক্ষেত্রে ডিস্টেন্সটা কতটুক হওয়া উচিত ছিল? মানে আমার কাছে মনে হয় ইট শুড বি ডাবল। অ্যাটলিস্ট ডাবল যদি হয়, তাইলে ইনজুরির প্রবণতা অনেক কমে যাবে।’

গোলবারের এই সমস্যা নিয়ে অবশ্য নিজস্ব বক্তব্যও আছে মানিকগঞ্জ ভেন্যু কর্তৃপক্ষের।

মানিকগঞ্জ তপন স্টেডিয়ামের ভেন্যু তত্ত্বাবধায়ক মোশাররফ বাদল বলেন, ‘ওপরের বারটা কিন্তু এখন স্টেটই থাকে, আগে ছিল কার্ভ। এখন কিন্তু সেটা নাই। হ্যাঁ, ওইটা কারেক্ট, ঠিকই আছে। আর এই যে এটা ক্লোজ গ্রাউন্ডে যেটা আছে রডটা, এই রডটা একটু ক্লোজ হয়ে গেছে।’

ফেডারেশন কাপের ম্যাচের পরেই শুক্রবার আবার এই মাঠে বসবে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ম্যাচ। তখনও এ সমস্যার সমাধান হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ‘একটু প্রবলেম হয়ে গেছে আমাদের। এখানে যেহেতু কমিটি নাই, আমি ওই যে আরও বিটু, আমার ছোট ভাই, আরও যারা ছেলেপেলে এদের দিয়ে কাজ করাইতেছি। এটা ফান্ডের ব্যাপার আছে একটা।’

এফএস