বাংলাদেশে ব্রাজিলের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। সে ভালোবাসাকেই এবার ফুটবল সম্পর্কের সেতুতে পরিণত করতে চায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ঢাকায় এসে দুটি মাঠ পরিদর্শনের পর রাতে বাফুফের সঙ্গে বৈঠকে বসে ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল।
ব্রাজিলের আগ্রহ শুধু একটি প্রীতি ম্যাচেই সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় তারা। তবে ম্যাচ আয়োজনের আগে বাংলাদেশের অবকাঠামো নিয়েও কিছু প্রস্তাব দিয়েছে ব্রাজিল।
বাফুফের কার্যনির্বাহী সদস্য শাখাওয়াত হোসেন ভূইয়া শাহীন বলেন, ‘তাদেরও কিছু রিকয়ারমেন্ট ছিল, এটা ভিজিটের ম্যাচ বিষয়ে। সেটা হলো স্টেডিয়াম। তারা স্টেডিয়ামের বিশেষ করে ঢাকা স্টেডিয়ামে ওরা দুই-তিনটা পয়েন্ট একটু দিক নির্দেশ করেছে। সেটা হলো ড্রেসিং রুমের একটা ডেভেলপ, আর হলো মিডিয়া যে সেন্টারটা আছে, টেকনিক্যাল সেন্টারের যে এবং এন্ট্রান্স যেটা—ঢোকা এবং বের হওয়া। ওগুলাকে ওরা একটা সাজেস্ট করছে আর একটু ডেভেলপ করার জন্য।’
আরও পড়ুন:
সামনে আসিয়ান লিগের সূচি থাকায় ম্যাচের সময় নিয়ে তৈরি হতে পারে জটিলতা। আসিয়ান লিগের সঙ্গে সময় সাংঘর্ষিক হলে আগে ফিফার সঙ্গে আলোচনা করবে বাফুফে। এরপরই আসবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আর ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাব্য ব্যয় নিয়েও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে বাফুফে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ফুটবলের সঙ্গে কথা বলার পর যদি আমাদের ওই পজিটিভ সাইডটা আসে, তখন হয়তো ফিন্যান্সিয়াল বিষয় নিয়ে আমাদের প্রেসিডেন্ট সরকারের সঙ্গে এবং আমাদের ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে বসে এটা যেহেতু রাষ্ট্রীয় একটা খেলা, অবশ্যই ডিসিশনটা ওইভাবে আসবে।’
মাঠে ব্রাজিল-বাংলাদেশের লড়াই হবে কি না, উত্তর মিলবে সময়ের সঙ্গে। তবে সম্পর্কের মাঠে দুই দেশের নতুন যাত্রার আভাস ইতিবাচক।





