দেখতে দেখতে শেষের পথে ফিফা বিশ্বকাপের এবারের আসর। আগামী ১৯ জুলাই দিবাগত রাতে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। যে দল জিতবে, বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে তারা পাবে বড় অঙ্কের প্রাইজমানিও।
গত ডিসেম্বর ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ৬৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রাইজমানি ঘোষণা করে ফিফা। বাংলাদেশি মানে যা প্রায় ৮ হাজার ৮১ কোটি টাকা। কাতারে অনুষ্ঠিত আগের আসরের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটি দলের ক্ষেত্রে প্রাইজমানিও বেড়েছে অনেক। যেমন ফাইনালের বিজয়ী দল পাবে ৫০ মিলিয়ন ডলার। রানার্স-আপ পাবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার।
বিশ্বকাপে তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়া দলগুলো পাবে যথাক্রমে ২৯ ও ২৭ মিলিয়ন ডলার। কোয়ার্টার-ফাইনালে বিদায় নেওয়া মরক্কো, বেলজিয়াম, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড প্রত্যেকে ১৯ মিলিয়ন ডলার করে পাবে। রাউন্ড অব সিক্সটিনে বিদায় নেয়া আটটি দল ১৫ মিলিয়ন ডলার করে পাবে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে রাউন্ড অব থার্টি টু থেকে বাদ পড়া ১৬টি দল পাবে ১১ মিলিয়ন ডলার। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়া দলগুলো ৯ মিলিয়ন ডলার করে পাচ্ছে। আর যোগ্যতা অর্জনকারী প্রতিটি দলকেই যোগ্যতা অর্জনের পুরস্কার ও অন্যান্য খরচের জন্য বিশ্বকাপের শুরুতে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ডলার করে দেয়া হয়েছে।
বিশ্বকাপের এই প্রাইজমানি খেলোয়াড়দের নয়, বরং দেশগুলোর ফুটবল ফেডারেশন বা অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেয়া হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো খেলোয়াড় ও কোচদের মধ্যে কত অর্থ বিতরণ করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।
ফিফার ধারণা, ৪৮ দলের এ বিশ্বকাপ থেকে তাদের ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় হবে। সে হিসেবে সংস্থাটির মোট আয়ের প্রায় সাড়ে ছয় শতাংশই দেয়া হবে প্রাইজমানি হিসেবে।





