বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে যাওয়ার হাতছানি ফরাসিদের সামনে। তবে সেমিতে তাদরে বড় বাধা টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট স্পেন। সেমিতে নামার আগে ফরাসি শিবিরের জন্য বড় স্বস্তি, ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরছেন তারকা হোল্ডিং মিডফিল্ডার অহেলিয়াঁ চুয়ামেনী।
তবে ম্যাচের আগে ফরাসি ডাগআউটের মাস্টারমাইন্ড দিদিয়ের দেশম পরিষ্কার করে দিয়েছেন, স্পেনের শক্তির কাছে তারা আত্মসমর্পণ না করে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই করবে তার দল
তিনি বলেন, ‘স্পেন বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে মারাত্মক চাপ তৈরি করতে পারে। তবে আমরাও এমন একটি দল যাদের বল প্রয়োজন এবং প্রতিপক্ষকে সমস্যায় ফেলার ক্ষমতা আমাদের আছে। এখানে কোনো প্রতিশোধের বিষয় নেই, কালকের ম্যাচটি সম্পূর্ণ নতুন এক লড়াই।’
এদিকে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট স্পেন শিবিরেও বইছে আত্মবিশ্বাসের হাওয়া। তবে নিজেদের ‘ফেভারিট’ তকমা নিয়ে ভাবতে নারাজ স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে
তিনি বলেন, ‘ফেভারিট হওয়া বা না হওয়া মাঠে কোনো পার্থক্য গড়ে দেয় না। আমরা ফ্রান্সকে খুব ভালো করে বিশ্লেষণ করেছি। দুই দলেই বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে। আসল উদ্দেশ্য হলো নিজেদের শক্তি মাঠে ফুটিয়ে তোলা এবং তাদের প্লাস পয়েন্টগুলো আটকে দেয়া।’
ম্যাচের আগের দিনই ১৯ বছরে পা দিয়েছেন স্পেনের বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামাল। জন্মদিনের উপহার হিসেবে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটতে চান তিনি। সাবেক স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর বর্ণবাদী মন্তব্যের জবাবে এই তরুণ উপহার দিলেন এক দারুণ বার্তাও
লামিন ইয়ামাল বলেন, ‘ফুটবল যদি কোনো কাজে আসে, তবে তা হলো মানুষকে একত্রিত করা এবং সমাজকে যুক্ত করা। ফ্রান্স এবং আমরা এর অন্যতম বড় উদাহরণ। কে কী বলল, তা নিয়ে আমি ভাবছি না। কাল আমরা বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছি।’
পরিসংখ্যানে কেউ কারও চেয়ে কম নয়। একদিকে স্পেনের টিকিটাকা আর ইয়ামালদের নিখুঁত পাসিং ফুটবল, অন্যদিকে ফ্রান্সের জমাট রক্ষণ ও কিলিয়ান এমবাপ্পের- গতির ঝড়। ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন ড্যালাসে, কে হাসবে শেষ হাসি? অপেক্ষা কয়েক ঘণ্টার।





