১৯৫৮ বিশ্বকাপে পেলের সেই অবিস্মরণীয় কীর্তির পর আর কোনো ব্রাজিলিয়ান কিশোর যা করতে পারেনি, ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে তা-ই করে দেখালেন ১৯ বছরের বিস্ময় বালক রায়ান। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে অ্যাসিস্ট করে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখালেন কিংবদন্তি পেলের পাশে।
বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড রাফিনিয়ার ইনজুরিতে একাদশে সুযোগ পেয়েই বাজিমাত করা রায়ান মাঠের পারফরম্যান্সে ভালো করলেও, মাঠের বাইরের হোমওয়ার্কে কিছুটা কাঁচা এ তরুণ। সংবাদ সম্মেলনে জাপানের সেরা খেলোয়াড় কে— এমন প্রশ্নে রায়ানের অকপট ও মজার স্বীকারোক্তি খোদ সাংবাদিকদেরও হাসিয়েছে।
আরও পড়ুন
ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রায়ান বলেন, ‘ভাই, সত্যি বলতে আমি জানি না ওদের সেরা বা সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড় কে। এটা বলতে হলে আমাকে আগে ওদের ভিডিও দেখতে হবে। তবে আমি জানি ওরা অত্যন্ত দক্ষ ও শক্তিশালী একটি দল। আমরা জয়ের জন্যই মাঠে নামব।’
জাপানকে হালকাভাবে নেয়ার কোনো সুযোগ নেই ব্রাজিলের। গত অক্টোবরের প্রীতি ম্যাচে ২-০ তে এগিয়ে গিয়েও জাপানের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরেছিল সেলেসাওরা। তাই নকআউট পর্বের আগে ডিফেন্সের ওপর কড়া নজর কোচ কার্লো আনচেলত্তির।
ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রায়ান বলেন, ‘কোচ আমাদের সবসময় বলেন— আগে রক্ষণ সামলাও, তারপর আক্রমণ করো। ফরোয়ার্ড লাইনে থাকার কারণে আমার ডিফেন্সিভ স্কিল আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গোলটাও কিন্তু প্রেসিংয়ের মাধ্যমেই এসেছে।’
ভিডিও অ্যানালাইসিস সেশনে এবার হয়তো জাপানি ফুটবলারদের আলাদা করে চিনবেন রায়ান। তবে ভিনিসিয়ুস-নেইমারদের ছায়ায় থেকে এই তরুণ তুর্কি যেভাবে ডানা মেলছেন, তাতে সোমবার হিউস্টনে জাপানের প্রাচীর ভেঙে ব্রাজিল হেক্সা মিশনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে— এমনটাই প্রত্যাশা কোটি সেলেসাও ভক্তের।





