আফগানদের বিপক্ষে কঠিন সমীকরণের মুখে টাইগাররা

ত্রিদেশীয় সিরিজ

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে
বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে | ছবি: সংগৃহীত
0

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানে হেরে ফাইনালে ওঠার পথটা কঠিন করে ফেলেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে উড়িয়ে দিয়ে টেবিলের শীর্ষে এখন আফগানিস্তান। এ অবস্থায় ফাইনালে যেতে হলে আফগানদের বিপক্ষে কেবল জিতলেই হবে না, মেলাতে হবে রানরেটের জটিল সমীকরণ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামের উইকেটে লাল বল থেকে সাদা বল। তবে ফরম্যাট পরিবর্তন হলেও দলের ফলাফল নিয়ে দুশ্চিন্তা যেন কাটছেই না বাংলাদেশের।

প্রথমে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাদা পোষাকে ড্র, পরে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে শুরুতে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে ফাইনালে উঠতে এখন নানা হিসেব নিকেষ মেলাতে হচ্ছে তামিম-লিটনদের।

বাংলাদেশের জন্য ফাইনালের টিকিট কাটা সহজ হতো, যদি দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে জিততো। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে দেখা গেলো উল্টো চিত্র। সাদিকুল্লাহ আতালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি আর রশিদ খানের ঘূর্ণিতে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে গুঁড়িয়ে দেয় আফগানরা।

স্পিন কিংবা প্রতিপক্ষের নিয়ন্ত্রিত পেস আক্রমণের সামনে অতি আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে বিলিয়ে আসে উইকেট। অতীত পরিসংখ্যানও বলছে, এই কন্ডিশনে বাংলাদেশ বড্ড নড়বড়ে।

আরও পড়ুন: শাস্তি পাচ্ছেন রোনালদো

এ মাঠে একদিনের আন্তজার্তিক ম্যাচ ৭টা খেলে পাঁচটাতেই হার বাংলাদেশের। এর মধ্যে ৪ হারের স্মৃতি আফগানদের বিপক্ষে। সেই পুরনো ভূত যেন আবার তাড়া করছে ফিল সিমন্সের শিষ্যদের। এবার মেলানো যাক সমীকরণ, কী করলে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠবে বাংলাদেশ?

এখন পর্যন্ত টেবিলের শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান। রান রেটেও অনেকটাই এগিয়ে দলটি। যে কারণে ফাইনালে উঠতে হলে রান রেটে জিম্বাবুয়েয়েকে পেছনে ফেলতে হবে বাংলাদেশকে। সেক্ষেত্রে ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রাথমিক পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফাইনালে উঠতে বড় ব্যবধানে জয়ের বিকল্প নেই বললেই চলে।

আগে ব্যাটিং করলে অন্তত ৪১ রানে জিততে হবে শান্তদের। অন্যদিকে, পরে ব্যাটিং করলে লক্ষ্য কত, তার ওপর নির্ভর করবে জয়ের সময়সীমা। উদাহরণ হিসেবে— ২০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪০ দশমিক ২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে বাংলাদেশকে। আর ২২০ রানের লক্ষ্য হলে জিততে হবে ৪০ দশমিক ৫ ওভারের মধ্যে।

২৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪১ দশমিক ১ ওভারের মধ্যে। আর ২৫০ রানের লক্ষ্য পেলে জিততে হবে ৪১ দশমিক ৩ ওভারের মধ্যে। ১০১ রানের লক্ষ্য দিরে জিততে হবে ৩৭.২ ওভারের মধ্যে।

তবে সেখানেই সবচেয়ে বড় বিপদ। কারণ শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানদের বিপক্ষে ৪ হারের মধ্যে ৩ বারই পরে ব্যাটিং করে ম্যাচ হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের। ২০০ রানের বেশি রান তাড়ায় দু’বারই ব্যর্থ হয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

জটিল এ সমীকরণ মিলিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটতে কোন পরিকল্পনায় দল সাজাতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট?

এসএইচ