জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়ে ত্রিদেশীয় মিশন শুরু বাংলাদেশের; লক্ষ্য ওয়ানডে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

লিটন দাস
লিটন দাস | ছবি: সংগৃহীত
0

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে প্রায় ভুলতে বসা ত্রিদেশীয় সিরিজের স্বাদ আবারও পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আবুধাবিতে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শুরু হবে দুই দলের লড়াই। নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেও ব্যাটারদের আরও দায়িত্ব নেয়ার আহ্বান লিটন দাসের। এই সিরিজ দিয়েই ওয়ানডে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করবে টাইগাররা।

দীর্ঘ ৭ বছর পর আরও একবার ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। অপর দুই প্রতিপক্ষের নাম জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তান হলেও আগেভাগেই খুশি হওয়ার কিছু নেই। কারণ জিম্বাবুয়ের সঙ্গে মাস কয়েক আগেই খেলা সবশেষ ওয়ানডে সিরিজ হেরেছিল টাইগাররা। আর এক বছর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতেই আফগানদের কাছে পেতে হয়েছিল ধবলধোলাইয়ের স্বাদ।

এসব তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে এগোতে চায় বাংলাদেশ। নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট লিটন দাস। উইকেট নিয়েও চিন্তা নেই টিম ম্যানেজমেন্টের।

বাংলাদেশ ওয়ানডে দল অধিনায়ক লিটন দাস বলেন, ‘হোমে আমাদের খেলার প্যাটার্ন অনেক ভালো ছিল। আমার কাছে মনে হয় যে দলটাতে অনেক প্রতিভাবান প্লেয়ার আছে এবং সাথে আমরা যারা সিনিয়র আছি, তাই আমরা যদি আমাদের বেস্ট ক্রিকেটটা খেলতে পারি তাহলে সবকিছু করা সম্ভব। খুব একটা আলাদা হওয়ার কথা না যেহেতু কন্ডিশনটা একই রকমই। একটা জিনিস আমি মানে যা দেখার কারণটাই ছিল যে আসলে কি টাইপের উইকেট কারণ আমি ধারণা করেছিলাম যে মিডল উইকেটে খেলা হবে। সো কিউরেটর সাইডের উইকেটগুলোতে তৈরি করেছে। আই হোপ যে উইকেটটা ভালো হবে এবং ইভেন উইকেট থাকবে সবদিক দিয়ে।’

সাম্প্রতিক সময়ে জিম্বাবুয়ে বা আফগানিস্তানের বিপক্ষে বেশিরভাগ ওয়ানডে ম্যাচেই পূর্ণ ৫০ ওভার ব্যাট করতে পারেনি বাংলাদেশ। সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে ব্যাটারদের দায়িত্ব নিয়ে খেলার আহ্বান লিটনের। বোলিংয়ে আলিস আল ইসলামের ওপর থাকবে আলাদা চোখ।

বাংলাদেশ ওয়ানডে দল অধিনায়ক লিটন দাস বলেন, ‘আলিস হোয়াইট বল ক্রিকেটে অনেক ভালো, বিশেষ করে যখন টি টোয়েন্টি সার্কিটটাতে খেলা হয় বাংলাদেশের সে প্রুভেন। তো আমার মনে হয় এটাই রাইট টাইম যে তাকে দলের সাথে ভুক্ত করা এবং যুক্ত করা এবং দলের সাথে থেকে সে যদি এখান থেকে অনেক কিছু করতে পারে এবং বাংলাদেশ টিমকে দিতে পারে তাহলে বাংলাদেশ টিমের জন্যই লাভবান হবে। আমরা এখানে ৫০ ওভার গেম খেলতে পারিনি। ইনফ্যাক্ট জিম্বাবুয়েতেও খেলতে পারিনি। তো আমাদের রেসপন্সিবিলিটি থাকবে যারা ব্যাটিং করব আমরা ওপর থেকে আমরা সিক্স সেভেন, তারাই যেন গেমটা ফিনিশ করতে পারি।’

ত্রিদেশীয় এই সিরিজ দিয়েই আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করবে বাংলাদেশ। তিন দলের এই সিরিজের অতিরিক্ত চাপ, ভবিষ্যৎ প্রস্তুতিতে ভালো সহায়তা করবে বলে মনে করেন টাইগার কাপ্তান।

এএম