অনিশ্চয়তার মুখে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ
বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ | ছবি: সংগৃহীত
0

আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়লো বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবারও সাদা বলের সিরিজটি স্থগিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি কোনো দেশই।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কটা ইদানীংকালে লন্ডনের আবহাওয়ার মত; কখন যে মেঘ জমে আর কখন ঝলমলে রোদ ওঠে, বলা মুশকিল। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক আর ভৌগলিক টানাপোড়েনে মাঠের সম্পর্কটাও নড়বড়ে হয়ে গেছে গেল দুই বছরে। সেটি মেরামতের চেষ্টাও হয়েছে- তবু ক্ষণে ক্ষণে রং বদলাচ্ছে।

দুই দেশের সাদা বলের সিরিজ খেলার কথা সেই ২০২৫ সালের আগস্টে। আইসিসির পূর্বনির্ধারিত সূচির অংশ হলেও, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে দল পাঠাতে রাজি হয়নি ভারত। পরবর্তীতে সেই সিরিজের সময়সূচী নির্ধারণ করা হয় এই সেপ্টেম্বরে। সে অনুযায়ী কম চেষ্টাও করেনি বিসিবি। গেল মাসে স্কটল্যান্ডে আইসিসি সভায় অংশ নিয়ে সিরিজটির বিষয়ে ইতিবাচক বার্তাই পেয়েছিলেন বোর্ড প্রধান তামিম ইকবাল। দিন দশেক আগে বোর্ড সভার পরও জানিয়েছিলেন আশাবাদের কথাই।

বোর্ড প্রধান তামিম ইকবাল বলেন, আমার জায়গা থেকে, আমার দায়িত্বের মধ্যে যতটুকু করা সম্ভব হচ্ছে, আই এম টকিং টু পিপল, আই এম ট্রায়িং টু টেল দেম হোয়াট অ্যাডভান্টেজ দে হেভ ইট হেজ উইথ ইন্ডিয়া সিরিজ অ্যান্ড অল দোজ থিংস। ঠিক আছে? বাট আমি আপনাকে যেটা বললাম, আমার সাথে যে আলোচনা এখন পর্যন্ত হয়েছে, খুব পজিটিভই আলোচনা হয়েছে। খুবই দ্রুত হয়তোবা আমরা জানাতে পারবো।

তবে, আবারও বদলে গেছে প্রেক্ষাপট। ৫ আগস্ট ভারতে বসে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ। কড়া জবাবের পাশাপাশি এভাবে সম্পর্ক উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দেয় সরকার। এমন পরিস্থিতিতে আবারও দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। আর আরও একবার হুমকির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

সাদা বলের দুই সিরিজ খেলতে ২৮ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছানোর কথা ছিল কোহলি-রোহিতদের। আপাতত সেটি না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে শেষপর্যন্ত অপেক্ষা করবে বিসিবি। অথবা এখনই না হলেও, পুরোপুরি বাতিল না করে পরবর্তীতে সিরিজ আয়োজনের চেষ্টা চালাবে বোর্ড।

ইএ