রাজধানীসহ সারা দেশের বিভিন্ন মন্দিরে আজ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পূজা-অর্চনা, হরিনাম সংকীর্তন ও নামযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। মন্দির ছাড়াও ঘরে ঘরে ভক্তরা উপবাস থেকে জন্মাষ্টমীতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করবেন।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন যে, আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে অবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছিলেন।
আজ বেলা তিনটায় ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। বেলা তিনটায় পলাশীর মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধন হবে। এই মিছিল প্রতিবছরের মতো পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে। রাতে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে তিন দিনের কর্মসূচি নিয়েছে। আজ ইসকনের স্বামীবাগ মন্দিরে সকাল আটটায় শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে তাদের কর্মসূচি শুরু হবে। পরে ধারাবাহিকভাবে কীর্তন মেলা, শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের রহস্য, আলোচনা সভা হবে। সন্ধ্যায় সন্ধ্যা আরতি ও শ্রীকৃষ্ণলীলামৃত হবে। মহাভিষেক অনুষ্ঠিত হবে রাত নয়টায়।
ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনেও জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান শুরু হবে আজ সকালে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে। পরে ভজন ও প্রসাদ বিতরণ হবে। সন্ধ্যায় হবে শ্রীকৃষ্ণপূজা ও শ্রীশ্যামনাম সংকীর্তন। তারপর হবে শ্রীশ্রী মহামায়ার কাঠামো পূজা।





