আজ (রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে দেখা করে তারা এ দাবি জানায়। এ দিন নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের সামনে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা ৩২টি আসন চিহ্নিত করেছি, যেখানে অল্প ভোটের ব্যবধানে আমাদের হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছি।’
এছাড়া দ্রুত গেজেট প্রকাশের কারণে অনেক প্রার্থী যথাসময়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে পারেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘৩২টি আসনে পুনর্মূল্যায়নের দাবি আছে। গ্যাজেট প্রকাশ হলেও আইনের তিন ধাপ আছে, ইসি, ট্রাইব্যুনাল, এরপর হাইকোর্টে রিট। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবো।’
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো বিভিন্ন উপাদান ছিল। প্রচুর জালভোট হয়েছে, কালো টাকার ছড়াছড়ি ছিল। কোথাও কোথাও হুমকি-ধমকি, সন্ত্রাস, মারামারি বা হামলার ঘটনাও ঘটেছে।’
বিষয়টি বারবার কমিশনকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।





