আজ (শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের ইলিশিয়া জমিলা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। দেশ পরিচালনায় বিএনপি যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, ক্ষমতায় গেলে তা বাস্তবায়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘বেকারত্ব দূর করতে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি হাতকে কর্মের হাতে পরিণত করতে চায় বিএনপি।’ এছাড়া নারীর ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
এছাড়া ক্ষমতায় গেলে মাতামুহুরি উপজেলা বাস্তবায়ন, লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করাসহ নানা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও জানান বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
আরও পড়ুন:
‘ধানের শীষ’কে জনগণের ও গণতন্ত্রের প্রতীক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির স্বার্থে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ ধানের শীষে ভোট দেবেন।
জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমেদ, তাদের পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, মাতামুহুরি সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী এবং মাতামুহুরি সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান চৌধুরী টিপু।
এদিকে, আজ (শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন। এসময় তিনি একটি পথসভায় যোগ দিয়ে দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘দেশের সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এবং তারুণ্যের ভাবনাকে ধারণ করে বিএনপি দেশ পরিচালনার পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেছে। এই দলের একটি গৌরবময় গণতান্ত্রিক ইতিহাস রয়েছে। যখনই দেশে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, তখনই বিএনপি গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রেখেছে।’




