মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না সরকারি কর্তৃত্ববাদী আচরণ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বক্তব্য দিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন সচিব বলছেন প্রতিমন্ত্রীর কথাই সঠিক। রোড ম্যাপ দেয়া সত্ত্বেও প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর নির্বাচন কমিশন রোড ম্যাপ এর বিষয়টিকে প্রাথমিক উল্লেখ করে সরকারের আপত্তির মধ্যে অবস্থান পরিবর্তন করেছে। কাজেই এই কমিশনের অধীনে আদৌ অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা তা প্রশ্ন উঠে।
এসময় তিনি বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি নানা অজুহাত দেখিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিলম্বিত করা হতে পারে। অনির্বাচিত প্রশাসক নির্বাচিত গণপ্রতিনিধির বিকল্প হতে পারে না। আমরা নয় দফা দাবি জানিয়েছি নির্বাচন কমিশনের প্রতি। দীর্ঘদিন অনির্বাচিত ব্যক্তিকে ক্ষমতায় রাখা প্রশাসকের দায়িত্বে রাখা উচিত নয়। নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে হবে। অনির্বাচিত ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করা যাবে না। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার দিতে হবে। যারা বর্তমানে বিভিন্ন প্রশাসনে অনির্বাচিত প্রশাসক হিসেবে আছেন তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না এমন সিদ্ধান্ত দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এমন একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন যারা বিএনপির দলীয় ভূমিকা পালন করছেন। জ্যেষ্ঠ সচিবের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না। বেশি মেজরিটির পাওয়ার অনেক সময় কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে নিয়ে যায়। এ আচরণ যদি স্থানীয় নির্বাচনেও থাকে তাহলে তা গণভোট জুলাই আন্দোলন সব কিছুকে ব্যর্থ করে দিবে।





