আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, সিলেট-৩ আসনে তথ্য পরবর্তীতে দাখিল করবেন বলার পরও একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তবে ওই আসনে বিএনপির প্রার্থীর ক্ষেত্রে একই ধরনের পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও তার কাগজপত্র পরবর্তীতে দাখিলের শর্তে মনোনয়ন বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে।
প্রশাসনের এমন আচরণের কারণে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও অতীতের মতো পক্ষপাতিত্ব এবং একতরফা আচরণের শঙ্কা মানুষের মধ্যে তৈরি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘কমিশনকে আহ্বান জানিয়েছি, এ ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সামনের শুনানিতে যেটি ইলেকশন কমিশনের সরাসরি অধীনে হবে, আপিলের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব যেন আর না থাকে।’
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ‘যদি সেখানে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব হয় তাহলে এ ইলেকশন কমিশনের একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের যে সক্ষমতা সেটার ওপর প্রশ্ন আসবে।’
আরও পড়ুন:
এনসিপির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘খুবই দুঃখের সঙ্গে আমরা একটা জিনিস প্রত্যক্ষ করেছি যে সম্প্রতি একটি দলের চেয়ারম্যান দেশে এসেছেন। আমাদের পার্টির পক্ষ থেকেও স্বাগত জানিয়েছি। কিন্তু আমরা যেটা দেখলাম সেটা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটা অশনিসংকেত।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দেখলাম বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন গোয়েন্দা অফিসের প্রধানগণ একটা পার্টি অফিসের দিকে তাদের কিবলা ঠিক করে ফেলেছেন। তারা সেখানে নিয়মিত যাচ্ছেন। আমরা বাংলাদেশে সব সময় দেখেছি প্রশাসনের ঝোঁক থাকে ক্ষমতাসীনদের প্রতি। কিন্তু ক্ষমতাসীন হওয়ার আগে, জন রায় প্রকাশিত হওয়ার আগেই এ ধরনের ধৃষ্টতা আমরা কোনভাবেই মেনে নেবো না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে এবং নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাবো যে যারা সেখানে গিয়েছেন তারা স্পষ্টভাবেই সরকারি চাকরির বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের উৎসাহেও ভাটা পড়েছে।’
