মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশকে পেছনে টেনে নেয়ার চক্রান্ত আছে যা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখতে হবে।’
শুরুতে বেগম জিয়ার স্মরণে এক মিনিটের নীরবতা দিয়ে শুরু হয় সভার আনুষ্ঠানিকতা। এরপর কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার মধ্যে দিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা হয়।
সভায় অংশ নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দেশের অর্থনৈতিক ভিত শক্তিশালী করতে বেগম জিয়ার অবদান তুলে ধরেন। তারা বলেন, গেলো ১৬ বছরে আমলাতন্ত্রের কারণে দেশ খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি ব্যক্তিখাতকে প্রাধান্য দিয়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে আনতে চায়।
আরও পড়ুন:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এই যে আজ ব্যুরোক্রেসি নিয়ে এত সমস্যার কথা আমরা বলছি বাংলাদেশে, যে কস্ট অব ডুইং বিজনেস, ইজ অব ডুইং বিজনেসের যে ইস্যুগুলো আছে, এগুলোকে একটা জায়গায় নিয়ে আসতে উনি প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। বিএনপি যখন শেষবার ক্ষমতায় ছিল, তখন গ্রোথ ছিল ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। গ্রাফটা উঠতির দিকে ছিল। সেই ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা আজ হয়তো ডাবল ডিজিটে থাকতাম।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি ইউনিক কম্বিনেশন সৃষ্টি করেছিলেন।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম জিয়ার মৃত্যুর শোক শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যাবে দল। দেশকে পেছনে টেনে ধরার ষড়যন্ত্র চলছে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব এ ব্যাপারে সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশকে আবার পেছন দিকে নেয়ার বিভিন্ন ষড়যন্ত্র আছে। সেখান থেকে আমাদের উঠে দাঁড়াতে হবে।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে বেগম জিয়ার আপসহীন নীতি অনুসরণ করে দেশ গড়তে চায় বিএনপি। দেশনেত্রী আমাদের কাছে একটা আইকন।’





