ধর্মমন্ত্রী বলেছেন, 'বাংলাদেশ ও নেপালের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, প্রতিবেশিসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ।'
তিনি আরও বলেন, 'নেপালের সাথে আমাদের ৫২ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক। মহান মুক্তিযুদ্ধে নেপালের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জনগণ আমাদেরকে সমর্থন যুগিয়েছিল। এছাড়া, স্বাধীনতার পরপরই যে সকল দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল তাদের মধ্যে নেপাল অন্যতম।'
নেপালের লুম্বিনীতে বাংলাদেশ প্যাগেডা ও বুদ্ধিস্ট সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি বাংলাদেশ সরকার ও ধর্ম মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান। তিনি এই প্রকল্পের অগগ্রতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করার অনুরোধ জানান।
ফরিদুল হক খান বলেন, 'করোনা মহামারি ও পরবর্তী বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটেও লুম্বিনীতে বাংলাদেশ প্যাগেডা ও বুদ্ধিস্ট সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পটি সঠিক পথেই রয়েছে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের ডিপিপি প্রণীত হয়েছে। পারস্পরিক চুক্তি অনুসারে এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ের ১৫ শতাংশ বাবদ ৭ কোটি ৬৮ লাখ ৯ হাজার ৮০ টাকা লুম্বিনী ট্রাস্টের ফান্ডে জমা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এটি একনেকের সভায় উপস্থাপিত হবে।'
সাক্ষাৎকালে দু'দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। নেপালের রাষ্ট্রদূত ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় ধর্মমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।