গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর) এ অভিযান পরিচালনার তথ্য জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
প্রতিষ্ঠানটিতে গুরুতর নানাবিধ অনিয়ম পাওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ১৪জন মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু ব্যক্তির মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সরকারি অনুমতি তাদের ছিল না।
এছাড়া, একই ভবনে ‘হিউম্যান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার’-এর সাইনবোর্ডের পাশাপাশি ‘সামিহা ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামে অপর একটি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালানোর প্রমাণ পাওয়া যায়।
জনস্বার্থে ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে দেয়।
এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতে যেকোনো ধরনের অনিয়ম, প্রতারণা এবং অনুমোদনহীন কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের নিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রতারণার সুযোগ দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী আরও যোগ করেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠান ভুয়া বা প্রতারণামূলকভাবে বিদেশগামীদের মেডিকেল রিপোর্ট দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের কর্মীদের স্বার্থরক্ষা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের ঝটিকা অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম সারা দেশে অব্যাহত থাকবে।’





