অভিযোগে বলা হয়েছে, দুবাইয়ে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচার করেছেন আসিফ মাহমুদ। এসব অর্থ দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে বিলাসবহুল ভিলা কেনা এবং বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তার দুই বোনজামাই ও এক ভাগ্নের মাধ্যমে এসব অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডার বাণিজ্যের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২ সেপ্টেম্বর আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ওই অনুসন্ধানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ ও বদলি, কেনাকাটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম এবং বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়।





