জুলাইয়ে কথা স্মরণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৩ বছরে আমরা যে সাহস দেখাতে পারিনি, ৩৬ জুলাইয়ে সেই সাহস দেখিয়েছে তরুণরা। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বীরের মতো লড়াই করেছে তারুণ্য শক্তি। বাংলাদেশের আন্দোলন সংগ্রামে তরুণদের বিরাট ত্যাগ রয়েছে। তাদের অবদানে এ দেশ এগিয়ে যাবে।’
শহীদ নাসিব হাসান রিয়ানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘ছেলেটির এ অকালে শাহাদাৎ কোনোভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। তার পিতামাতা তাদের সন্তানকে হারিয়েছেন। এ শোক প্রকাশের কোনো ভাষা আমার জানা নেই। সেইসঙ্গে এই অবস্থায় পিতামাতাকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কোনো ভাষা হতে পারে না, যে পিতামাতা তাদের সন্তানের লাশ নিজেদের কাঁধে বহন করছেন।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা কেবল শোক প্রকাশ করতে পারি এবং তাদের পাশে থেকে সমবেদনা জানাতে পারি। এই গভীর কষ্ট ও বেদনা কেবল ভুক্তভোগী পরিবারই উপলব্ধি করতে পারছে, অন্য কেউ তা পুরোপুরি অনুভব করতে পারবে না।’
এসময় শহীদ নাসিব হাসান রিয়ানের আত্মার মাগফেরাত ও পরিবার প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। সেখানে উপস্থিত শহীদ রিয়ানের বাবা মো. গোলাম রাজ্জাককে মন্ত্রী সান্তনা দেন।
বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আব্দুল খালেকের (উপসচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীসহ উপস্থিত ছিলেন।





