স্বাভাবিক সময়ে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের চাপ থাকে প্রায় ২০০ পিএসআই। তবে বর্তমানে তা নেমে এসেছে ১১০ থেকে ১১৫ পিএসআইয়ে। চাপ আরও কমে গেলে অনেক সময় স্টেশনগুলোর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
গ্যাসের চাপ কম থাকায় স্টেশনগুলোতে ধীরগতিতে যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে একটি গাড়িতে গ্যাস নিতে আগের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগছে। চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।
আজ (রোববার, ২৩ আগস্ট) রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, মহাখালী ও আসাদগেটসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি স্টেশনে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। গ্যাস নিতে দিনের বড় একটি সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে যাত্রী পরিবহন করতে পারছেন না চালকরা। এতে সরাসরি প্রভাব পড়ছে তাদের দৈনিক আয়ে।
চালকদের ভাষ্য, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়টুকু কাজে লাগাতে পারলে আরও বেশি ট্রিপ দেয়া সম্ভব হতো। কিন্তু গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করায় আয় কমে যাচ্ছে, বাড়ছে ভোগান্তি।
তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার আশা দেখাচ্ছে নতুন এলএনজি সরবরাহ। শনিবার রাতে নতুন এলএনজির চালান আসায় মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ আবার বাড়তে শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ সরবরাহ সংকট। নিয়মিত এলএনজি কার্গো নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ বাড়ানো না গেলে সিএনজি স্টেশনগুলোর এই সংকট পুরোপুরি কাটবে না।
দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন চালক ও সংশ্লিষ্টরা। তাদের প্রত্যাশা, নিয়মিত এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করে দ্রুত জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ বাড়ানো হবে। তাহলেই দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন সিএনজি চালকরা।





