রিয়াজুল ইসলাম বলেন, সামনে ২৮০০ জনবলের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করবে রাজউক। যেকোনো জায়গায় জলাশয় ভরাট করে পাইলিং তুলে বিল্ডিং করে ফেললেই হবে না। পর্যাপ্ত নিয়মকানুন মেনেই বিল্ডিং নির্মাণ করলে ভূমিকম্প মোকাবেলা সহজ হবে। এই সব দেখে রাখাই রাজউকের কাজ।
এসময় তিনি বলেন, ভূমিকম্প পরবর্তী রাজউকের কিছু করার থাকে না। পরিকল্পিত নগরায়নের কাজ রাজউকের। ভেনেজুয়েলার যে ভূমিকম্প হলো, জাপানে যে এত বড় বড় ভূমিকম্প হয়, তারা কিভাবে মোকাবেলা করে। তাদের প্লানিং সিস্টেমটা ভালো। আমাদের দেশে যেটা সমস্যা সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন।
এছাড়াও ইমারত নির্মাণের পূর্বে পরিকল্পনা ও সচেতনতা ভূমিকম্প মোকাবেলায় সহায়তা করবে বলেও জানান তিনি।





