সপ্তাহ পেরুলেও রাজধানীতে কাটছে না গ্যাস সংকট

রাজধানীতে কাটছে না গ্যাস সংকট
রাজধানীতে কাটছে না গ্যাস সংকট | ছবি : সংগৃহীত
0

সপ্তাহ পেরুলেও কাটছে না গ্যাস সংকট। রাজধানীর বেশিরভাগ বাসাবাড়িতে দিনের বেলায় রান্না বন্ধ, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। সংকট মোকাবিলার পথ কী? কবে শেষ হবে নাগরিক দুর্ভোগ? সেই প্রশ্ন সকলের। এদিকে, সকালে গ্যাসের দাবিতে তিতাস ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন গ্রাহকরা।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে দিনের বেশিরভাগ সময় চুলায় আগুন জ্বলছে না। তাও সকাল ও সকাল ও রাতে মৃদু চাপ থাকায় শুধু ভাত রান্না করতেই সময় লেগে যাচ্ছে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা।

বাসিন্দারা জানান, তাদের শুধু ভাত রান্না করতেই দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগছে।

অনেকে আবার বাধ্য হয়ে ব্যবহার করছেন বৈদ্যুতিক চুলা, এতে বাড়ছে বিদ্যুৎ খরচও। রান্না করতে না পেরে অনেক পরিবার নির্ভর করছে হোটেল-রেস্টুরেন্টের খাবারের ওপর। হোটেলের উপর বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে ব্যাচেলরদের।

শিক্ষার্থীরা জানান, বুয়া না আসলে বাহিরে খেতে হয় তাদের। গ্যাস সংকটের কারণে অধিকাংশ সময় বুয়া আসে না।

আরও পড়ুন:

শুধু বাসাবাড়ি নয়, সিএনজি স্টেশনগুলোতেও ভোগান্তির শেষ নেই। যেসব স্টেশনে সামান্য গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে গাড়ির দীর্ঘ সারি। অনেক চালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস নিচ্ছেন। গ্যাস না থাকায় কিছু স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধও রয়েছে।

গাড়িচালকরা জানান, তারা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে গ্যাসের জন্য। ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে গ্যাস পাচ্ছেন তারা। এ সংকট মোকাবিলায় সরকারকে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে যারা গ্যাস পাচ্ছেন তারও সিলিন্ডার পূর্ণ করে নিতে পারছেন না। কারণ ফিলিং স্টেশনে চাপ খুব কম।

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের থেকে অনেক কমেছে বেচাবিক্রি। তারা জানান, তারা জানেন না সংকট কী কারণে দেখা দিয়েছে। তাদের স্টেশনগুলোতে প্রতিদিনই চাপ থাকছে।

দেশে উৎপাদনের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিকল্প জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

এফএস