আজ (বুধবার, ২৯ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঘাটতি পূরণ শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে পরিকল্পনাহীনভাবে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়েছে এবং হাসপাতালের বিভিন্ন ক্রয় কার্যক্রমে অতিরিক্ত ব্যয় ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২০ সালের পর দেশে হাম প্রতিরোধে কার্যকর কোনো টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হয়নি। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও সরকারি ব্যবস্থাপনায় টিকা সংগ্রহ না করে বেসরকারি উপায়ে কেনার উদ্যোগ নিয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখানে ফিজিওথেরাপি, প্যাথলজি ও আইসিইউ সুবিধা যুক্ত করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের জন্য ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ১০টি করে ডায়ালাইসিস বেড স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।





