আজ (সোমবার, ২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত নীতিমালায় এ কথা বলা হয়। ‘বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।
নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা ও কর্মস্থল ভেদে বদলি ও পদায়নের আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির জন্য তিন স্তরের পৃথক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চলভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে।
সংশ্লিষ্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চলের পরিচালকের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, জেলার এডিসি (শিক্ষা) এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সহকারী পরিচালকের (কলেজ) সমন্বয়ে গঠিত কমিটি দপ্তর ও সংস্থার পদ ব্যতীত সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকের আবেদন যাচাই বাছাই করে বদলি ও পদায়নের আদেশ জারি করবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, মাউশি মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে গঠিত কমিটি ঢাকা মহানগর এবং অন্যান্য দপ্তর ও সংস্থার পদ ব্যতীত সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আবেদন যাচাই বাছাই করে বদলি ও পদায়নের আদেশ জারি করবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিবের সভাপতিত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার সকল পদে বদলি ও পদায়নের আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক আদেশ জারি করবে।
নীতিমালায় শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকসহ যেকোনো শিক্ষক ও কর্মকর্তা একই কর্মস্থলে ন্যূনতম ২ (দুই) বছর চাকরি পূর্ণ না করা পর্যন্ত বদলির আবেদন করতে পারবেন না। তবে গুরুতর শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক জরুরি পরিস্থিতির ক্ষেত্রে যৌক্তিকতা সাপেক্ষে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেও আবেদন করা যাবে, যা বিবেচনার এখতিয়ার সরকার সংরক্ষণ করবে।
নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়, স্বামী-স্ত্রী উভয়ে চাকরিজীবী হলে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলে কিংবা নিকটতম প্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করা যাবে। অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়ার ১ বছর পূর্বে পছন্দের সুবিধাজনক স্থানে পদ খালি থাকা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়ন দেওয়া হবে। দূরারোগ্য ব্যাধি, পারিবারিক সমস্যা এবং নিজ জেলা থেকে কর্মস্থলের দূরত্বের বিষয়গুলো আবেদনে বিবেচনা করা হবে।
তবে পিডিএস হালনাগাদ না থাকলে, অসম্পূর্ণ আবেদন জমা দিলে, বিভাগীয় মামলা বা তদন্তাধীন অভিযোগ থাকলে সেই আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
পাশাপাশি বিগত ৩ বছরের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) সন্তোষজনক হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ নীতিমালা জারির তারিখ হতে ইতোপূর্বে জারিকৃত এ সংক্রান্ত নীতিমালা বাতিল বলে গণ্য হবে।—বাসস





