আজ (বুধবার, ২২ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনের সাংগ্রিলা ইন–এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আটাবের সাবেক মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ, প্যানেল প্রধান এ এস এম ইব্রাহিম, দিদারুল হক ও মাহমুদুল আলম সিদ্দিকীসহ সংগঠনটির সাধারণ সদস্য ও ভুক্তভোগী প্রার্থীরা বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, গত ১২ জুন প্রকাশিত আটাবের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অনিয়ম হয়েছে। তাদের অভিযোগ, বাতিল লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান, ভুয়া ভোটার ও মৃত ব্যক্তিদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও ৪৬ জন বৈধ সদস্যকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এছাড়া বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫–এর ভুল প্রয়োগ করে আটাবের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম আরেফ, সাবেক মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ, সাবেক সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান খান রেজোয়ান এবং সাবেক উপমহাসচিব ইদ্রিস মিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা জানান, এসব বিষয়ে এফবিসিসিআই সালিশ ট্রাইব্যুনালে করা মামলার রায়ে গত ২১ জুলাই বিতর্কিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বাতিল, চার নেতার প্রার্থিতা পুনর্বহাল এবং নির্বাচনি তফসিলের কয়েকটি কার্যক্রম বাতিল করে নতুন করে পুনঃতফসিল ঘোষণার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তাদের আরও অভিযোগ, তিন সদস্যের আপিল বোর্ডের একজন সদস্য শুনানিতে উপস্থিত না থাকলেও সিদ্ধান্তে তার স্বাক্ষর নেয়া হয়।
আরও পড়ুন:
এ ঘটনাকে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের মূলনীতি লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে তারা জানান, এ ধরনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেওয়া সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়।
দাবিগুলো হলো—অনিয়ম ও কোরাম ভঙ্গের অভিযোগে বর্তমান নির্বাচন ও আপিল বোর্ড বাতিল করে নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নতুন বোর্ড গঠন; প্রার্থিতা পুনর্বহাল হওয়া চার নেতাসহ অন্যায়ভাবে বাদ পড়া সব বৈধ প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া; ভুয়া ও বাতিল লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে নতুন করে আইনানুগ ভোটার তালিকা প্রণয়ন; এফবিসিসিআই সালিশ ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নতুন নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, আটাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচন অবশ্যই স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হতে হবে। দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।





