আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের অষ্টম দিনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
আলোচনায় অংশ নিয়ে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘সাওদা সুমি নামে এক নারী ফেসবুক স্ট্যাটাস শেয়ার করায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। বলা হয়েছে, ওপরের নির্দেশে তাকে গ্রেপ্তার ও মামলা দেয়া হয়েছে। আমার প্রশ্ন হলো—ওপরের নির্দেশ বলতে তারা কাকে বুঝিয়েছেন? আমি স্পিকারের মাধ্যমে সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, আজকের অফিস টাইমের মধ্যেই ওই নারীকে মুক্তি দিতে হবে এবং মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। কারণ, এ গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের পূর্বাভাস পাওয়া যায়। এ সরকার তো গণতান্ত্রিক সরকার, তাহলে মানুষ কি কথা বলতে পারবে না?’
আরও পড়ুন:
রফিকুল ইসলাম খানের বক্তব্যের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এটি পয়েন্ট অব অর্ডার রূপে গৃহীত হলো না। তবু যেহেতু আপনি বিষয়টি বলেছেন এবং বিরোধীদলীয় নেতা এ বিষয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, আমি সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করেছি। তবে সংসদে বসে বাইরের রাজপথের মতো আল্টিমেটাম দেয়া ঠিক নয়। প্রয়োজনে আপনি প্রস্তাব আকারে নিয়ে আসবেন। ফেসবুকে প্রতিদিন অনেকেই সরকারকে নিয়ে নানা মন্তব্য করে, সবকিছু আমলে নিলে সংসদ অন্য কাজ করতে পারবে না। তবু বিষয়টি যেহেতু বিরোধীদলীয় নেতা জানিয়েছেন, আমরা তা খেয়াল করছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেব।’





