নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির বিশেষ পরিপত্র

নির্বাচন কমিশন ভবন
নির্বাচন কমিশন ভবন | ছবি: সংগৃহীত
0

নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল (সোমবার, ২৬ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এ পরিপত্র জারি করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন সাংবাদিক নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র প্রদান করবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ২৯(গ) অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি পাওয়া সাংবাদিকরা তাদের পরিচয়পত্রসহ নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

এতে আরও বলা হয়, নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রণীত নীতিমালা–২০২৫-এর ক্রম ১০ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিকরা সরাসরি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:

সাংবাদিক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকারের জন্য নির্ধারিত পোর্টালে আবেদন করা যাবে। অনুমোদনপ্রাপ্ত আবেদনকারীরা অনলাইনে কিউআর কোড সংযুক্ত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ডাউনলোড ও মুদ্রণ করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনাপত্রের মাধ্যমে জানানো হবে।

নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কিউআর কোডযুক্ত পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকারের সত্যতা যাচাই করতে পারবেন। এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৮৪(ক) অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকর্মীর দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান, শারীরিক ক্ষতি সাধন বা সরঞ্জামের ক্ষতি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে দণ্ডিত হবেন।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা ও সংবাদ সংগ্রহে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে প্রিজাইডিং অফিসাররা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে স্থান সংকুলানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে সহায়তা প্রদান করবেন, যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় থাকে।

এনএইচ