এখন টিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি বসাতে অর্থ ব্যয়ের অনুমতি

সিসিটিভি ক্যামেরা ও নির্বাচন কমিশনের লোগো
সিসিটিভি ক্যামেরা ও নির্বাচন কমিশনের লোগো | ছবি: এখন টিভি
4

নির্বাচন কমিশন থেকে আছে নির্দেশনা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আছে বরাদ্দও। কিন্তু সরকারি দপ্তর থেকেই নোট দেয়া আছে কেনা যাবে না সিসি ক্যামেরা। সরকারের এমন দ্বিমুখিতা নিয়ে গতকাল (সোমবার, ১৯ জানুয়ারি) একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রচার করে এখন টেলিভিশন।

এ প্রতিবেদনে উঠে আসে, অর্থ বরাদ্দ থাকলেও সিসি ক্যামেরা কেনা যাবে না-এমন সিদ্ধান্তে জেলা শিক্ষা অফিস বা তৃণমূলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ের কর্মকর্তা, বা কর্তৃপক্ষ সবাই বিভ্রান্ত হচ্ছেন।

আজ (মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে তার বাসভবন যমুনায় নিকারের ১১৯তম এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই সঙ্গে ২১ হাজার ৯৪৬টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে প্রায় ৭২ কোটি টাকা অনুমোদন দেয়া হয়।

এখন টিভির প্রতিবেদনটি:

এ সিদ্ধান্তের ফলে বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে সিসি ক্যামেরা ক্রয় ও স্থাপন করতে আর কোনো বাধা রইলো না। এতদিন অর্থ বরাদ্দ থাকলেও তা খরচের অনুমতি ছিলো না।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘সারা দেশে প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে আগে থেকেই সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে নতুন করে ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২১ হাজার ৯৪৬টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সিসিটিভি বসানোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি জানান, বরাদ্দের আওতায় প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কমপক্ষে ছয়টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ তালিকার বাইরে থাকা কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের নিজস্ব অর্থায়নে ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে সব জেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং অনেক এলাকায় তা দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।

এসএস