নিত্যপণ্যের দামে ফেরেনি স্বস্তি; দেশের বাজারগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র

বিভিন্ন বাজারের চিত্র
বিভিন্ন বাজারের চিত্র | ছবি: এখন টিভি
0

বাজারে গেলে এখন যেন নতুন করে হিসাব কষতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কোথাও সরবরাহ কমে মাছের দাম চড়া, কোথাও আবার শীতের সবজি আসায় কিছুটা কমেছে দর। তবে সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চাঁদপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্রের দেখা মিলেছে।

চট্টগ্রামের বাজারে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের মাছের দাম। সবচেয়ে বেশি চড়া ইলিশ। আকার ও মানভেদে কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। ১০০ টাকা করে রুই ৩৫০ আর পাবদা ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য মাছেরও দাম বেশি।

বিক্রেতাদের দাবি, মাছের সরবরাহ কমার পাশাপাশি বেড়েছে জ্বালানি ও পরিবহন খরচ, তার প্রভাব পড়ছে বাজারে। তবে মুরগির বাজারে তুলনামূলক অপরিবর্তিত—ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালি ৩৪০ টাকা কেজি।

আরও পড়ুন:

বাজার আরও চড়া পটুয়াখালীর মৎস্য বন্দরে। সপ্তাহ ব্যবধানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বেড়েছে ৫০০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ২৩শ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। আর ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা কেজি। ছোট ইলিশেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের—কেজি ৬০০ টাকা। সঙ্গে বেড়েছে পোয়া, লইট্টা ও চিংড়ির দামও।

এদিকে, সিলেটের বাজারে বাড়ছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। শিম ২০০ থেকে ২২০, টমেটো ১২০, মূলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। বিক্রেতাদের ভাষ্য—জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে, তাই পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।

তবে ময়মনসিংহের মেছুয়া বাজারে স্থানীয় সরবরাহের পাশাপাশি আগাম শীতকালীন সবজি আসায় সপ্তাহ ব্যবধানে ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে বেশ কিছু সবজির দাম।

শুধু মাছ-সবজি নয়, চাপ পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারেও। চাঁদপুরে ডজনের বদলে হালিতে তিন টাকা বেড়ে ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়। খোলা আটা ৪৮, পেঁয়াজ ৪৫, রসুন ১৪০ টাকা কেজি। বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের চালের দামও।

এসএইচ