এদিন চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর গোয়েন্দা রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন তার আরও সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
ওই আবেদনে বলা হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছে থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তথ্য যাচাই-বাছাই করতে পুনরায় সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।
এসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিন গোয়েন্দা রমনা বিভাগের অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার টিমের উপপরিদর্শক বিনয় কুমার রায় তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
ওই আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আসামি উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করা হয়। তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক এবং ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাসপোর্ট প্রদর্শন করেন।
নিজেকে ভারতীয় নাগরিক বলে জানালেও পরবর্তীতে তার কাছে থাকা ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং এনআইডি যাচাই করে দেখা যায় যে, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডির জন্ম তারিখের সঙ্গে পাসপোর্টের জন্ম তারিখের কোনো মিল নেই।
তিনি ইতোপূর্বে অনেকবার বাংলাদেশ ভ্রমণ করলেও বাংলাদেশে আসা যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি একেক সময় একেক তথ্যসহ এলো মেলো তথ্য প্রদান করেন। ধারণা করা হচ্ছে যে, আসামি বাংলাদেশে কোনো ধ্বংসাত্মক অপরাধের সঙ্গে জড়িত আছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা শহরসহ সারা দেশে নাশকতামূলক কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। তাকে আপাতত ফৌজদারী কার্যবিধি ৫৪ ধারা মতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।





