এ মামলায় প্রায় সাত মাস পর ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও কল রেকর্ডসহ বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত দাখিল করা হয়। বিচার শেষে আজ (মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যু্বলীগের সভাপতি শেখ পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ইনান। তারা সবাই পলাতক রয়েছেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলন দমন, উস্কানি, পরিকল্পনা, হত্যাকাণ্ডসহ সব ধরনের সহিংসতার অভিযোগ আনা হয়। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সাত নেতার বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগে বিচার শুরু হয়। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ঠিক করা হয়।
এ রায়ে সাদ্দাম-ইনান বাদে বাকি পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এই সম্পদ জুলাই ফাউন্ডেশনে দান করতে বলা হয়েছে।
এর আগে, জুলাই গনঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৬টি মামলার রায় ঘোষণা করেছে ট্রাইব্যুনাল। যার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের আদেশও রয়েছে।





