সাড়ে তিন বছর আগে খুন হয় শিশু আয়াত। তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে তার খণ্ডিত মরদেহ সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন বলেছেন, এ মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
পুলিশ ও আদালত সূত্র জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে পরিবারের আবেদনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ছায়া তদন্ত শুরু করে।
আরও পড়ুন চ
তদন্তে উঠে আসে, আয়াতকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটে মো. আবির। তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।
পিবিআই সূত্র জানায়, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার মরেদহ ৬ টুকরা করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেয়া হয়।
তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মো. আবির ও তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। আসামি আবির বর্তমানে কারাগারে আছেন। অন্যদিকে কিশোর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলছে।


 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)


