এছাড়া সহিংস আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির সাত শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এদিকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের চলমান সমস্যা নিরসনে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী।
এর মধ্যে স্কুলের বিদ্যমান সুযোগ সুবিধা বাড়ানো, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়া আরও সহজ করার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত আছে। তবে সহিংসতাকারীদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ফরাসি প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
বিপরীতে সরকার সমস্যা সমাধানে আন্তরিক নয় দাবি করে মঙ্গলবারও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদের।
দুই সপ্তাহের আন্দোলনে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে ফ্রান্স পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের ৮৫ শতাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।




